• কড়া নিরাপত্তা ঘেরাটোপে ভোটগ্রহণ চলছে অসম-কেরল-পুদুচেরিতে, কামাখ্যা মন্দিরে হিমন্ত
    বর্তমান | ০৯ এপ্রিল ২০২৬
  • নয়াদিল্লি, ৯ এপ্রিল: কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে আজ, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে অসম ও কেরলে ভোটগ্রহণ পর্ব। সেইসঙ্গে ভোটগ্রহণ চলছে পুদুচেরিতেও। নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দু’ঘণ্টার ভোটদানের হারে সামান্য এগিয়ে অসম। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে সকাল ন’টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৭.৮৭ শতাংশ। কেরলে ভোটদানের হার ১৬.২৩ শতাংশ। অন্যদিকে, ১৭.৪১ শতাংশ ভোট পড়েছে পুদুচেরিতে। এই দুই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ক্ষমতার রাশ আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে? এদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তা ইভিএমের মাধ্যমে জানানোর সুযোগ পাবেন ভোটাররা।

    কেরলে মোট আসন সংখ্যা ১৪০। মোট ৮৯০ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন প্রায় ২ কোটি ৭১ লক্ষ ভোটার। এতদিন কেরল বিধানসভার মূল লড়াই ছিল বামেদের এলডিএফ ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফের মধ্যে। এবার বিজেপিও সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়েছে। বরাবরই প্রতি ভোটে শাসকদল বদলেছে কেরলের জনতা। তবে সেই ট্রেন্ড ভেঙে ২০২১ সালে পরপর দু’বার ক্ষমতায় আসে বামেরা। এবার জয়ের হ্যাটট্রিকের হাতছানি তাঁদের সামনে। অন্যদিকে ১০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া হাত শিবিরও। এরাজ্যে ভোটের অন্যতম ইস্যু সবরীমালা মন্দিরের সোনাচুরি। পাশাপাশি রয়েছে দুর্নীতি-অপশাসনও। রাজ্যের ১৪০ বিধানসভা আসনে ভোটার সংখ্যা 

    অন্যদিকে, একদা কংগ্রেসের দূর্গ অসমে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হাত শিবিরের। রাজ্য বিধানসভার মোট আসন ১২৬টি। ২০১৬ ও ২০২১ সালে পরপর দু’বার এই রাজ্যে সরকার গড়েছে বিজেপি। এবার টানা তৃতীয়বার ক্ষমতা দখলের সুযোগ তাদের সামনে। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের ভোটে বিজেপির অন্যতম ইস্যু ‘অনুপ্রবেশ’। অন্যদিকে অপশাসন, বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধির মতো মানুষের সমস্যাকে হাতিয়ার করেছে বিরোধীরা। অসমে ২২টি আসনে লড়াই করছে তৃণমূল কংগ্রেসও। লড়াইয়ে রয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি ও হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও ।

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও কুর্সি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামছে গেরুয়া শিবির। এখানে বিজেপির জোট সঙ্গী এনআর কংগ্রেস। অন্যদিকে ডিএমকের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ছে কংগ্রেস। লড়াইয়ের রয়েছে সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের দলও। ৩৩ আসনের পুদুচেরির বিধানসভায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে ৩০ আসনে। বাকি তিনজন কেন্দ্র কর্তৃক মনোনীত। 
  • Link to this news (বর্তমান)