• কাকদ্বীপকে পুরসভা বানানোর আশ্বাস সব রাজনৈতিক দলেরই
    বর্তমান | ০৯ এপ্রিল ২০২৬
  • সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: কাকদ্বীপ এখন মহকুমার স্বীকৃতি পেয়েছে। তৈরি হয়েছে আদালত। এছাড়াও প্রশাসনিক নিরাপত্তার জন্য সুন্দরবন পুলিশ জেলা গঠন করা হয়েছে। এই পুলিশ জেলার প্রধান কার্যালয় কাকদ্বীপ শহরেই গড়ে তোলা হয়েছে। এমনকী মহকুমা হাসপাতালের পাশাপাশি এখনে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালও তৈরি হয়েছে। তৃণমূল সরকারের গত ১৫ বছরের এই সাফল্যে খুশি কাকদ্বীপবাসী। এখন তাঁদের দাবি, এই শহরকে পুরসভা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। আর এই দাবিকে মেনে তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করেছে। তবে শুধু তৃণমূল নয়, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলই প্রচারের ক্ষেত্রে পুরসভা গঠনের এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেছে। 

    এবিষয়ে কাকদ্বীপের এক বাসিন্দা প্রভাত দাস বলেন, শুধু সামাজিক নয়, প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও কাকদ্বীপের অনেক উন্নতি ঘটেছে। এখানে বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কার্যালয় তৈরি হয়েছে। এবার পুরসভা হিসাবে স্বীকৃতি পেলে শহরের আরো উন্নয়ন ঘটবে।

    কাকদ্বীপ বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী নারায়ণ দাস বলেন, কাকদ্বীপ শহরের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক আগেই এই শহরকে পুরসভা হিসেবে ঘোষণা করা উচিত ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি। আমাদের দলের পক্ষ থেকে এই শহরকে পুরসভা হিসাবে ঘোষণা করার বিষয়টিকে ইস্যু করে প্রচারও করা হচ্ছে।

    এখানকার বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর জানা বলেন, প্রতি নির্বাচনের সময়েই বলা হয়, কাকদ্বীপ শহরকে পুরসভা হিসাবে ঘোষণা করা হবে। কিন্তু তৃণমূল সরকার এখনও তা করে উঠতে পারেনি। তাই ২০২৬ সালের নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে পুরসভা গঠনের ইস্যুটিকে প্রাধান্য দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।

    বিরোধীদের সমালোচনার উত্তর দিয়ে এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মন্টুরাম পাখিরা বলেন, কাকদ্বীপ শহরকে পুরসভা হিসাবে গড়ে তোলার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসই প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একটি পুরসভা গঠন করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিকভাবে যা যা মানদণ্ড প্রয়োজন, আগে সেই শর্তগুলিকে পূরণ করা হয়েছে। এবার পুরসভা গঠনের ক্ষেত্রে আর কোনো বাঁধা নেই। তাই এই বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারের ক্ষেত্রে কাকদ্বীপ শহরকে পুরসভা ঘোষণা করার ইস্যুটিকে তুলে ধরা হচ্ছে।
  • Link to this news (বর্তমান)