উৎসবের আবহে ভোট (Assembly Election) চলছে অসম (Assam), কেরালা (Kerala) এবং পুদুচেরিতে (Puducherry)। ধরা পড়ছে তার খণ্ড খণ্ড চিত্র। কোথাও দেখা গেল, বিয়ের সাজেই ভোট দিতে চলে এসেছেন কনে। আবার কোথাও স্টার প্রার্থীকে ঘিরে সেলফি তোলার ভিড়। অসমে ভোট দিলেন প্রয়াত জ়ুবিন গর্গের স্ত্রী গরিমা গর্গও।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। তার পরে কেটে গিয়েছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। কয়েক জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি ছাড়া এখনও পর্যন্ত বড় কোনও গন্ডগোলের খবর পাওয়া যায়নি। তিন রাজ্যেই মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট কেন্দ্রের লাইভ ভিডিয়ো নজরদারি করা হচ্ছে। ভোটারদের সুবিধার জন্য পানীয় জল, হুইলচেয়ার, র্যাম্পের মতো বিশেষ কিছু ব্যবস্থাও রেখেছে কমিশন।
অসমে এ বার মূলত দ্বিমুখী লড়াই। কংগ্রেস বনাম এনডিএ। ৩১,৪৯০টি বুথে চলছে লড়াই। ১২৬টি আসনে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ৭৫.৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে। যা রেকর্ড বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। এ বারে টানা তৃতীয় বার জয়ের লক্ষ্যে ময়দানে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। গৌরব গগৈয়ের নেতৃত্বে রাজ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে কংগ্রেস। ৭২২ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করছেন ২.৫ কোটিরও বেশি ভোটার। অসমে এ বার এসআইআর এবং অনুপ্রবেশই বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।
লেফট ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সামনে এখন হ্যাটট্রিকের হাতছানি। কুর্সি ধরে রাখার লড়াই লড়ছেন পিনারাই বিজয়ন। উল্টো দিকে রাজ্যে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার লড়াই চালাচ্ছে ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক পার্টিক ভিডি সতীশন। ১৪০ আসনের জন্য ৮৮৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করছেন ২.৭১ কোটি ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৩০,৪৯৫টি বুথে ভোটগ্রহণ চলছে। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত কেরালায় ভোট পড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছি, যা রেকর্ড বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
পুদুচেরি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলেও নিজস্ব বিধানসভা রয়েছে। এখানেও এনডিএ-র সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের লড়াই। ৩০টি আসনে ২৯৪ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করছেন ৯.৫ লক্ষ ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পুদুচেরিতে ৫৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। NDA-এর হয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াই লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামী। থাট্টাঞ্চাভাড়ি ও মঙ্গলম, দু’টি কেন্দ্র থেকে লড়ছেন তিনি। ২০০টি বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে চলছে নজরদারি।