এই সময়, দুর্গাপুর: নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন কবি দত্ত। বৃহস্পতিবার দুপুরে অম্বুজানগরীর নির্বাচনী কার্যালয়ে দলীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কবি।
ইস্তেহারে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান, রাস্তার ধারে ব্যবসা করা হকারদের পুনর্বাসন, পানীয় জল ও নিকাশি সমস্যার সমাধান, পরিবেশ দূষণ রোধ, বেসরকারি স্কুলের ফি কমানো ও পাট্টা প্রদানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে গিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছেন কবি। অধিকাংশ বাসিন্দা বাড়ির বেকার ছেলেদের কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের কথায়, 'দুর্গাপুরে ছোট ও বড় প্রচুর কারখানা আছে। অথচ সেই কারখানায় স্থানীয় ছেলেদের বঞ্চিত করে বহিরাগতদের নিয়োগ করা হচ্ছে।' কবি বলেন, 'ইস্তেহারে কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটা সত্যি যে দুর্গাপুরে এত কারখানা, অথচ আমাদের শহরের ছেলেরা কাজ পাচ্ছে না। এই ব্যাপারে কারখানার মালিকদের সঙ্গে আমি কথা বলব।' পাশাপাশি যুবসমাজের প্রতি কবির বার্তা, 'শুধু চাকরি নয়, ব্যবসা করার চেষ্টা করুন।'
আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন সংস্থার (এডিডিএ) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে একাধিক বার ফুটপাথে বসে ব্যবসা করা হকারদের উচ্ছেদ করেছেন কবি দত্ত। ফের তাঁরা ফুটপাথে বসে ব্যবসা করছেন। বিরোধী বিজেপি প্রার্থী এর মধ্যে প্রচারে বলছেন কবি দত্ত জয়ী হলে হকারদের একেবারে উচ্ছেদ করে দেবেন। এই প্রসঙ্গে কবি বলেন, 'হকার উচ্ছেদ নিয়ে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। লিস্টেড হকার যাঁরা রয়েছেন তাঁদের জন্য অত্যাধুনিক কিয়স্ক করে দেওয়া হবে। সেখানে তাঁরা ব্যবসা করবেন। এই ব্যবস্থা একমাত্র পুরোনো হকার যাঁদের নাম ২০২০ থেকে ২০২১–এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নতুনদের কথা বলছি না।' প্রচারের সময়ে কবি দত্তকে সামনে পেয়ে অনেকে স্কুলের ফি কম করার দাবি জানিয়েছেন। নির্বাচনী ইস্তেহারে স্কুলের ফি কম করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া দুর্গাপুরে একটি ইন্টারস্টেট বাস টার্মিনাল তৈরির কথা বলেন কবি দত্ত। তিনি বলেন, 'বাস টার্মিনাল তৈরির কথা অনেকদিন ধরে চলছে। ডিপিআর তৈরি হয়েছে।'