• ‘বেঁচে ফেরাটাই যেন অভিশাপ’, রাহুলের মৃত্যুতে কাঠগোড়ায় শ্বেতা! মুখ খুললেন অনিন্দিতা
    প্রতিদিন | ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৯ মার্চ, রবিবাসরীয় বিকেলে সাগরের ঢেউয়ের মাঝে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়েই অকালে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা। রাহুলের মৃত্যু শোক আছড়ে পড়েছে টলিউডে। প্রিয় অভিনেতা, থিয়েটার শিল্পী ও সর্বোপরি একজন ভালো লেখককে হারানোর যন্ত্রণাকে সঙ্গী করেই রাহুলের জন্য ন্যায় বিচারের দাবিতে অনড় ভক্ত থেকে সতীর্থ প্রত্যেকে। একইসঙ্গে আরও একটি প্রশ্নের যুক্তিসঙ্গত উত্তরের অপেক্ষায় দিন গুনছেন রাহুলের প্রিয়জনেরা। সেদিন তালসারিতে শুটিংয়ের সময় রাহুলের সঙ্গে ছিলেন সহ অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র। তিনি কী ভাবে বেঁচে ফিরলেন সেই প্রশ্নের খাঁড়া ঝুলছে অভিনেত্রীর মাথায়। তাঁর এই ‘দ্বিতীয় জন্ম’ যেন ‘অভিশপ্ত’ এক মুহূর্ত! রাহুলের মর্মান্তিক মৃত্যুতে অনেকেই কাঠগোড়ায় তুলেছেন শ্বেতা মিশ্রকে। প্রশ্ন চিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে শ্বেতার বেঁচে ফেরা। এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চৌধুরী।

    সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শ্বেতার পক্ষে সাফাই দিয়ে অনিন্দিতা লিখেছেন, ‘কে কতটা জানতে চায় আমি জানি না। কে ঠিক কি জানতে চায় আমি জানি না। আমি আমার মতো করে কিছু জানাতে চাই। শ্বেতা মিশ্রা একটা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছে। আমরা যাঁরা ওঁর বৃহত্তর পরিবারের গুরুজন, ওঁর বাড়ির মানুষ, ওঁর বন্ধুরা ওকে আগলে রেখেছি এবং রাখবও।” ‘অভিশপ্ত’ ২৯ মার্চ প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর সংযোজন, ‘ওই দিনের ব্যাপারে যা যা বলার ও বলবে। আইনের কাছে বলবে, বলবেই। কারণ শ্বেতার শিরদাঁড়াটা খুব সোজা আর খুব শক্ত।’

    কিছুটা ক্ষোভ-হতাশার সঙ্গে অনিন্দিতার সংযোজন, “কিন্তু ভীষণ তাড়াহুড়ো করে ভীষণ উদগ্রীব হয়ে সত্যি উদঘাটনের নেশায় বারবার ও কেন কিছু বলছে না, কেন ও চুপ করে আছে, কেন শাড়ি পরেও ও বেঁচে গেল, কেন বেঁচে ফিরল এইসব অস্বাভাবিক পাশবিক প্রশ্ন করে শ্বেতার বেঁচে ফেরাটাকে অভিশাপের মতো করে নাই বা দেখলেন সবাই। ওঁর এই দ্বিতীয় জন্মটাকে সুস্থভাবে বাঁচতে দিন।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)