ইস্তফা দিলেন এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি যশবন্ত ভার্মা। নগদকাণ্ডে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
২০২৫ সালের মার্চ মাসে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন বিচারপতি ভার্মার বাংলো থেকে প্রচুর পরিমাণে নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, তা হিসাববহির্ভূত ছিল। বিচারপতি ভার্মার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। বিচারপতি অবশ্য দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি বাংলোয় ছিলেন না। কোনও টাকা সেখান থেকে উদ্ধার হয়নি।
গত বছর অগস্ট মাসে বিচারপতি ভার্মার বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগের তদন্তে তিন সদস্যের সংসদীয় প্যানেল গড়ে দিয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সেই প্যানেলের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন বিচারপতি ভার্মা। কিন্তু সেই আবদেন খারিজ হয়ে যায়। সংসদীয় প্যানেলের সেই তদন্তের মধ্যেই ইস্তফা দিলেন বিচারপতি ভার্মা।
বিচারপতি ভার্মাকে অপসারণের (ইমপিচমেন্ট) প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। তাতে সংসদীয় প্যানেলের তদন্ত-রিপোর্টকে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসাবেই ধরা হতো। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদীয় কমিটির তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে স্পিকার তা সংসদে উত্থাপন করতেন। পরে একই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি হতো সংসদের উচ্চকক্ষেও। যে হেতু বিচারপতি ভার্মার ইমপিচমেন্টের বিষয়ে শাসক এবং বিরোধী জোটের অবস্থান একই, তাই গোটা প্রক্রিয়াটি মসৃণই হবে বলে মনে করা হয়েছিল। তার আগেই বিচারপতি ভার্মা ইস্তফা দেওয়া এই প্রক্রিয়ার আর প্রয়োজন নেই বলেই জানিয়েছে লোকসভা সচিবালয়ের এক সূত্র।