• মুষলধারে বৃষ্টি, দুর্যোগের মধ্যেই প্রচারে প্রার্থীরা
    এই সময় | ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • এই সময়, আরামবাগ ও শ্রীরামপুর: বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই শুরু হয়েছ মুষলধারে বৃষ্টি। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে ঝোড়ো হাওয়া। তার জন্য অনেকেই সকাল থেকে ঘরবন্দি। কিন্তু ভোট বড় বালাই। তাই দুর্যোগ উপেক্ষা করেই এ দিন সকাল থেকেই প্রচারে বেরিয়ে পড়েছিলেন প্রার্থীরা। কেউ ছাতা মাথায় দিয়ে, কেউ আবার রেনকোট পরে প্রচার সারেন।

    পুরশুড়ার তৃণমূল প্রার্থী পার্থ হাজারি রেনকোট পরে এ দিন সকালে সোদপুর বাজারে প্রচার চালান। আনাজ বিক্রেতা থেকে শুরু করে সাধারণ দোকানদার, সবার কাছেই পৌঁছে যান। কখনও হাতজোড় করে, কখনও আবার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে মানুষের কাছ থেকে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন।

    তারকেশ্বরের তৃণমূল প্রার্থী রামেন্দু সিংহ রায় সকালে নন্দনবাটি এলাকায় কর্মীদের নিয়ে বৈঠক সেরে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন। বৃষ্টির মধ্যেই গোঘাটের বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগার বর্ধমান লাগোয়া ও দ্বারকেশ্বর নদের তীরবর্তী গ্রাম পঞ্চায়েত কুমারগঞ্জ এলাকায় চলে যান প্রচারে। আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতালি বাগও বসে থাকেননি। দুর্যোগ মাথায় নিয়ে তিনিও প্রচারে বেরিয়ে পড়েন। খানাকুলের বিজেপি প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ নতিবপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করেন সকাল থেকেই। বিকেলে রাজিহাটি এলাকায় প্রচার সারেন। পুরশুড়ার বিজেপি প্রার্থী বিমান ঘোষ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ভিজতে ভিজতেই প্রচার করেন। সোদপুর, মসিনান, গুলিবাগা গ্রামে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন।

    এ দিন সকালে ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যেই চাঁপদানি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী অরিন্দম গুই ছাতা মাথায় দিয়ে বৈদ্যবাটি পুরসভার সরকার পাড়ায় প্রচার করেন। চণ্ডীতলা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী স্বাতী খন্দকার ডানকুনি পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে প্রচার করেন। দুর্যোগের মধ্যেই সকালে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সপ্তগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী বিদেশ বসু। সকালে হারিট ও আকনা গ্রামে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান নেতা সুভাষ ঘড়া। বেলায় বৃষ্টি কমে যাওয়ার পরে প্রচারে নামেন চাঁপদানির সিপিএম প্রার্থী চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। বলাগড়ের সিপিএম প্রার্থী বিকাশ গোলদার যথারীতি প্রচার করেছেন।

  • Link to this news (এই সময়)