ফের বিতর্কে কুম্ভগার্ল মোনালিসা, তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু পুলিশের
বর্তমান | ১১ এপ্রিল ২০২৬
ভোপাল, ১০ এপ্রিল: ফের শিরোনামে মহাকুম্ভের ভাইরাল গার্ল মোনালিসা। কয়েক মাস আগেই বিয়ে সংক্রান্ত জটিলতার কারণে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন তিনি। ভিন ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করার জন্য পরিবারিক সমস্যার মুখে পড়েন। ফলে পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এবার আবারও সমস্যার সম্মুখীন হতে হল তাঁকে। মোনালিসার স্বামীর বিরুদ্ধে পকসো আইনি মামলা রুজু করেছে মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বর থানার পুলিশ। কিন্তু কেন? জানা গিয়েছে, কুম্ভগার্ল না কী নাবালিকা। তার জন্ম ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর। অর্থাৎ বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর ২ মাস ১২ দিন। ভারতীয় আইনে বিয়ের ক্ষেত্রে এই বয়স প্রযোজ্য নয়। তাহলে এই বিয়ে হল কী করে?
জাতীয় জনজাতি কমিশনের দাবি, ভুয়ো নথিতে বয়স বেশি দেখিয়ে বিয়ে করেছিলেন মোনালিসা। কমিশনের চেয়ারম্যান অন্তর সিং আর্যের নির্দেশে একটি বিশেষ দল কেরল ও মধ্যপ্রদেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। দেখা যায়, বিয়ের সময় নথিতে তাঁর জন্ম তারিখ লেখা ছিল ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি। জন্মের শংসাপত্রে জালিয়াতি করে তা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। মোনালিসার পরিবার অবশ্য আগে থেকেই দাবি করেছিল যে, তাঁদের মেয়ে নাবালিকা। কিন্তু সেই সময় নিজেকে সাবালিকা বলে দাবি করেছিলেন কুম্ভগার্ল। পাশাপাশি অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তুতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছেন পরিজনেরা। এরপর গত ১১ মার্চ কেরলের মন্দিরে ফরমান খান এবং মোনালিসার বিয়ে হয়। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু হওয়া প্রেম অবশেষে পরিণতি পায়। কিন্তু ভিন্নধর্মী দু’জনের এই বিয়েতে দেশজুড়ে শোরগোল দেখা দেয়। তবে লাভ জেহাদ বিতর্কের জবাব দিয়েছিলেন মোনালিসার স্বামী ফরমানও। বলেন, সব ধর্ম সমান। মোনালিসা তাঁর নিজের ধর্ম পালন করবেন, আর আমি আমার ধর্ম। প্রত্যেক ধর্মকেই আমরা সম্মান করি। আমি মন্দিরে যাই এর পাশাপাশি মসজিদেও যাই।