• হুমায়ুনকে কড়া চ্যালেঞ্জ, মুর্শিদাবাদে ২২-০ টার্গেট
    আজকাল | ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক:  মুর্শিদাবাদের রেজিনগর থেকে ফের একবার বিজেপি এবং হুমায়ুন কবিরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। শনিবার তিনি বলেন,  ‘একদল রাস্তায় নেমেছিল নির্বাচনের আগে বিজেপির হাতকে শক্ত করতে। মুর্শিদাবাদে বিজেপির তিনটি টিম কাজ করছে। সেখানে রয়েছে কমিশন, অধীর চৌধুরী এবং হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন কবিরের যে ভিডিও সামনে এসেছে তা সকলে দেখেছে। সেখান থেকেই তার ইচ্ছা সকলের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এসআইআরে যাদের নাম বাদ দিয়েছে ৪ মে মমতা ব্যানার্জির সরকার গঠনের পর ফের তারা ভোটাধিকার ফিরে পাবেন। কেউ চিন্তা করবেন না। মু্র্শিদাবাদে সকলকে তৈরি থাকতে হবে। এবারে বহরমপুরে ২২-০ করতে হবে।'

    হুমায়ুনকে নিয়ে অভিষেক বলেন, ‘হুমায়ুনের ভিডিও সত্য মিথ্যা তদন্ত প্রমাণ করবে। তবে তার ঘোষিত প্রার্থী রাজ্য সভাপতি ইস্তফা দিয়েছে। মিম তার সঙ্গ থেকে সরে গিয়েছে। ফলে তাদের অবস্থান স্পষ্ট। একে লুকোতে এআই ভিডিওর কথা বলছে। নিজের পকেটে ঢোকানোর জন্য এক হাজার কোটি টাকা চাইছেন। তিনি সকলকে বোকা বানাতে চাইছেন। এরা সকলেই ল্যাজেগোবরে হবে।' 

    এদিন অভিষেক আরও বলেন, ‘ধর্মের নামে তৃণমূল রাজনীতি করে না। তাই আমাদের মুখে বাবরি মসজিদ এবং রাম মন্দির থাকে না। আগামীদিনে কংগ্রেসের পচা আলু, সিপিএম-এর পচা পেঁয়াজ, আর মিম-ডিম-জুপ-জুপের পচা উচ্ছে আর পচা বেগুন সব মিলিয়ে জগা খিচুড়ি তরকারি করার চেষ্টা করছে। সেই জগা খিচুড়ি খেলে পেট খারাপ হবে। তাই এদেরকে সরিয়ে ফেলে দিতে হবে।'

    মুর্শিদাবাদের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে অভিষেক বলেন, ভরতপুর, ‘রেজিনজর, বেলডাঙ্গা এলাকা থেকে ফের একবার তৃণমূল জিতবে। ভরতপুরে ৭ কোটি টাকা খরচ করে আইটিআই কলেজ করেছে সরকার, ২০ কোটি টাকার হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে এখানে উন্নতির ধারা বজায় থাকবে। রাস্তার উন্নতিতেও কাজ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ১০ হাজার শিক্ষিত যুবরা রেজিনগর থেকে যুবসাথী পেয়েছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ফর্ম ফিলাপ করলেই বাকিরা টাকা পাবে।'

    এদিন অধীর চৌধুরীকেও একহাত নেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস দীর্ঘদিন কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল। গত ১০ বছর ধরে যে কাজ হয়েছে তা স্বাধীনতার পর কংগ্রেস-সিপিএম করতে পারেনি। অমিত শাহ বলেছে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা করে দেবে। বিজেপি যেখানে আছে সেখানে মহিলাদের হাল গিয়ে দেখুন। যারা বলছে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হবে তারা জানেন না এটি কেউ বন্ধ করতে পারবে না। বাংলার বাড়িগুলিতে নলবাহিত পানীয় জল যাবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে-হাসপাতাল নয়, ব্লকে ব্লকে উন্নমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা দিয়ে এবার দুয়ারে স্বাস্থ্য আনা হবে। প্রবীণরা সকলেই বার্ধ্যভাতা পাবেন।' 

     
  • Link to this news (আজকাল)