জোট ত্যাগ করে ছাব্বিশের নির্বাচনে রাজ্যের ২৯৪ আসনে একাই লড়ছে কংগ্রেস। হেভিওয়েট অধীর চৌধুরী, শুভঙ্কর সরকার, নেপাল মাহাতোরা প্রার্থী হয়েছেন। তাঁদের হয়ে প্রচার করতে বাংলায় আসছেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সূত্রের খবর, নববর্ষের সময় রাহুল গান্ধী আসতে চলেছেন রাজ্যে। মুর্শিদাবাদে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করার কথা তাঁর। পরে আসতে পারেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, পুরুলিয়া জেলাকে কেন্দ্র করে তাঁদের প্রচার সূচি সাজানো হচ্ছে বলে খবর প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ এবং সভাস্থল এখনও ঠিক হয়নি।
বাংলার কংগ্রেস প্রার্থীদের হয়ে প্রচারের জন্য রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ছাড়াও দিল্লির নেতাদের আনার পরিকল্পনা আগেই স্থির করেছিল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। সেইমতো হাইকমান্ডের কাছে আবেদনও করা হয়। কে কবে আসতে পারবেন, সেইমতো সময় জানতে চান এখানকার নেতারা। দিল্লি সূত্রে খবর, শনিবারই মুর্শিদাবাদের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে দিল্লির নেতাদের বৈঠক হয়েছে। মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর চৌধুরী, শুভঙ্কর সরকার, গুলাম আহমেদ মীররা কথা বলেন। আগে ঠিক ছিল সুতি, ফরাক্কা, ইসলামপুর মিলিয়ে জনসভা হবে, তাতে থাকবেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু দিনক্ষণ নিয়ে কিছুটা জটিলতা দেখা দেয়। রাহুল গান্ধীর সময়মতো আগামী ১৪ তারিখ সামশেরগঞ্জের সভার প্রস্তুতি হতে পারে বলে জানানো হয়। আপাতত স্থির হয়েছে, সামশেরগঞ্জে ওইদিন জনসভা করবেন রাহুল গান্ধী।
সূত্রের খবর, ১৪ এপ্রিলের পর আবার ১৮ থেকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বঙ্গের প্রচারে আসার কথা। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, পুরুলিয়া – এই তিন জেলায় দলের হেভিওয়েট প্রার্থীরা রয়েছেন। তাই এখানেই দিল্লির নেতাদের জনসভার সম্ভাবনা বেশি। সূত্রের খবর, শ্রীরামপুরে প্রচারের জন্য রাহুল গান্ধীকে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। কারণ, তিনি নিজে এই কেন্দ্রের প্রার্থী। রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও দিল্লি থেকে বঙ্গে প্রচারে আসতে পারেন আজহারউদ্দিন, শচীন পাইলট, ইমরান প্রতাপগড়িরা। তাঁদের প্রচারে ‘হাত’ শিবির যে বাড়তি উৎসাহ পাবে, তা বলাই বাহুল্য।