কলকাতায় যাঁরা ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন তোলেন, তাঁদের বকেয়া ডিএ-এর হিসেব নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। যেহেতু কলকাতায় ট্রেজারি নেই, সেই কারণে বকেয়া ডিএ-এর হিসেব কে করবে তা নিয়ে দোলাচল হচ্ছিল। আপাতত ঠিক হয়েছে, ওই হিসেব ব্যাঙ্ক করবে। কে কে পেনশন নেন সেই তথ্য ব্যাঙ্ক এজি বেঙ্গলকে দেবে। তারপরে পরবর্তী ধাপে কাজ হবে।
কলকাতা কর্পোরেশন এলাকায় যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান। তাঁদের ডিএ দেওয়ার জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে পশ্চিমবঙ্গের প্রিন্সিপ্যাল অ্যাকাউন্ট জেনারেলের দপ্তরে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেখানে রাজ্যের অর্থ দপ্তর, কলকাতা কর্পোরেশন এলাকার অনুমোদিত ব্যাঙ্কগুলির কর্মকর্তারা ছিলেন। জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সব অনুমোদিত ব্যাঙ্কের লিঙ্ক ব্রাঞ্চকে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে পেনশনপ্রাপকদের ওই সময়ের হিসেব ৭ এপ্রিলের মধ্যে অর্থ দপ্তরের ই-গভর্ন্যান্স গ্রুপে জমা দিতে হবে। বেশ কিছু ব্যাঙ্ক সেই তথ্য ইতিমধ্যেই জমা গিয়ে দিয়েছে। সব তথ্য পাওয়ার পরে অর্থ দপ্তর হিসেব করবে ডিএ-র অঙ্ক। তারপরে সেই তথ্য প্রিন্সিপ্যাল অ্যাকাউন্ট জেনারেলের দপ্তরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে পাঠানো হবে।
ট্রেজারি থেকে যাঁরা পেনশন পান, তাঁদের বকেয়া ডিএ-এর টাকা ইতিমধ্যেই তাঁদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে। কলকাতা কর্পোরেশন এলাকায় যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান, তাঁদের জন্য প্রক্রিয়াও চালু হয়েছে। যদিও রাজ্য সরকারের সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, কলেজ এবং অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কী ভাবে বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে, সেই নির্দেশ এখনও প্রিন্সিপ্যাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের দপ্তরে পৌঁছয়নি।