মধ্যপ্রদেশের Kuno National Park-এ আবারও বড় সাফল্য পেল দেশের চিতা পুনর্বাসন প্রকল্প। ভারতেই জন্ম নেওয়া একটি চিতা ‘কেজিপি-২’ (KGP-2) চারটি শাবকের জন্ম দিয়েছে, যা Project Cheetah-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা গিয়েছে, সদ্যোজাত চার চিতা শাবকই সুস্থ রয়েছে এবং তাদের ওপর বন দপ্তরের বিশেষজ্ঞ দল নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছে। এই জন্মের ফলে কুনো জাতীয় উদ্যানে চিতার সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেল এবং ভারতীয় মাটিতে জন্ম নেওয়া চিতাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রসঙ্গত, ভারত থেকে বহু দশক আগে চিতা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আফ্রিকার নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চিতা এনে ভারতে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয় কেন্দ্র সরকার। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রে আবারও চিতাকে ফিরিয়ে আনা।
প্রধান বন সংরক্ষক (ccf) উত্তম কুমার শর্মা এই অগ্রগতিকে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য শুধু স্থানান্তর নয়, বরং প্রাকৃতিক পরিবেশে সফলভাবে প্রজনন করানো। তিনি বলেন, ‘কেজিপি-২ একসময় এখানেই একটি শাবক ছিল। আজ সে বন্য পরিবেশে প্রজনন করছে। এটি একটি শক্তিশালী ইঙ্গিত যে বাস্তুতন্ত্রটি দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক।’
বর্তমানে কুনো জাতীয় উদ্যানে প্রাপ্তবয়স্ক ও শাবক-সহ ৫৪টি চিতা রয়েছে এবং আরও তিনটি মান্দসৌরের গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কুনোর তরফে জানানো হয়েছে যে নবজাতক শাবক ও তাদের মা উভয়েই সুস্থ আছে এবং পশুচিকিৎসকেরা তাদের ক্লোজ় মনিটারিংয়ে রেখেছে।