সরকার অধীনস্থ সংস্থায় বকেয়া ডিএ মেটাতে দপ্তরগুলিকে SOP পাঠানোর নির্দেশ নবান্নর
প্রতিদিন | ১২ এপ্রিল ২০২৬
সরকার অধীনস্থ সংস্থার কর্মীদের বকেয়া মহার্য্যভাতা মেটাতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। এই প্রক্রিয়া তরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ আগেই দিয়েছিল অর্থ দপ্তর। এবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা এসওপি পাঠানোর নির্দেশ দিল রাজ্য অর্থ দপ্তর। আগামী ১৩ এপ্রিলের মধ্যে এই এসওপি জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এসওপি উচ্চ শিক্ষা, স্কুল শিক্ষা দপ্তর, গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তর, পুর ও নগরোন্নয়ণ দপ্তর, পরিবহণ, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ণ দপ্তরের কাছে চাওয়া হয়েছে।
নবান্ন সূত্রে খবর, এই এসওপি জমা পড়লেই বকেয়া ডিএ বা ডিআর প্রদানের রূপরোখা চূড়ান্ত হবে। পাশাপাশি এবার পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ-সহ মহার্ঘ ত্রাণ (ডিআর) মেটানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড এনটাইটেলমেন্ট), পশ্চিমবঙ্গ, ট্রেজারি বিল্ডিংস, কলকাতা থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রক্রিয়া জানানো হয়েছে। এই বকেয়া অর্থ সরাসরি পেনশনভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দিতে একটি বিশেষ ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ শুরু হয়েছে।
এ জন্য প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে প্রতিটি পেনশনভোগীর জন্য পৃথক হিসাব তৈরি করা হচ্ছে। কলকাতা পুরসভা এলাকার ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে পেনশনভোগীদের তথ্য সংগ্রহের কাজও চলছে। রাজ্যের অর্থ দপ্তর, প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল এবং বিভিন্ন অনুমোদিত ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঠিক হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলি দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেবে এবং সেই তথ্য যাচাই করে বকেয়া অর্থের হিসাব নির্ধারণ করা হবে। তারপর তথ্য যাচাইয়ের পর প্রতিটি পেনশনভোগীর প্রাপ্য বকেয়া নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে তাদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানো হবে।