• TCS-এ ধর্মান্তকরণ ও যৌন হেনস্থা! সাসপেন্ড অভিযুক্ত ৭ কর্মী, কী বলছে সংস্থা?
    এই সময় | ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • দেশের অন্যতম বৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, টাটা কনসাল্টেন্সি সার্ভিসেস বা TCS। তাদেরই নাসিক শাখার বেশ কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণ ও যৌন হেনস্থার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। শনিবারই এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ জানাজানি হয়েছিল। এর পরেই নড়েচড়ে বসল TCS। রবিবার সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে যে কোনও ধরনের হেনস্থা বা জোরজুলুমের বিরুদ্ধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি রয়েছে। এই ক্ষেত্রেও তার নড়চড় হবে না।

    একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় থাকা ৮ কর্মীকেই সাসপেন্ড করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই আইটি সংস্থা। ৮ কর্মীর মধ্যে ৬ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ম্যাজিস্টেরিয়াল কাস্টডিতে আছেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে এক মহিলাও আছেন।

    সপ্তম জন এখনও পলাতক। এ ছাড়া তদন্তকারীদের নজর রয়েছে এক মানবসম্পদ বিভাগের ম্যানেজারের উপরেও। তিনি আপাতত পুলিশ হেফাজতে আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, এর আগেই বেশ কয়েকজন নিগৃহীতা তাঁর কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি।

    TCS-এর তরফে এই তদন্তে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ বলেছেন। প্রশাসন সূত্রে খবর, এই হাই-প্রোফাইল মামলার তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    গত মার্চ মাসে সংস্থার নাসিক শাখার এক মহিলা কর্মী বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক সহকর্নীর বিরুদ্ধে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই তদন্তে নেমে পুলিশ আরও আটটি FIR দায়ের করেছে। সেই সকল FIR-এ সহকর্মীদের গোমাংস খেতে বাধ্য করা, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা এবং যৌন নিগ্রহের মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)