ভোটের মুখে বড় ধাক্কা বিজেপির শিবিরে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন হুগলি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি সুরেশ সাউ। রবিবার ডানলপে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন সুরেশ সাউ। এ বার হুগলিতে বিজেপি একটা আসনেও জিততে পারবে না বলেও দাবি তাঁর। আগামী দিনে পতাকা ধরার জন্য লোক খুঁজতে হবে বিজেপিকে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও সুরেশ সাউয়ের দলবদলকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি।
সুরেশ সাউ তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে গত কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। আর, রবিবার হুগলির (Hoogly) ডানলপ মাঠে সুরেশের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) । তাঁর গলায় উত্তরীয় পরিয়ে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য।
কী কারণে এই দলবদল তা জানিয়েছেন সুরেশ। তাঁর দাবি, অনেক কষ্ট করে বিজেপি (BJP) দলকে এলাকায় দাঁড় করিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। সুরেশ বলেন, ‘একের পর এক ভুল করলেও শিক্ষা নেয়নি বিজেপি। দীর্ঘদিন ধরে কর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন দলের নেতারা।’ হুগলিতে একটা আসনও বিজেপি পাবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
এ দিন সুরেশের সঙ্গে আরও কয়েক জন যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে (Trinamool Congress) । আগামী দিনে আরও অনেকেই তৃণমূলে যোগ দেবেন জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, আগামী দিনে বিজেপিতে পতাকা ধরার লোক থাকবে না।
যদিও দীর্ঘ দিন ধরেই দলবিরোধী কাজ করছেন সুবীর বলে অভিযোগ করেন চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ। অনেক দিন ধরেই সুরেশ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন বলেও দাবি তাঁর। তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের যোগ দেওয়ার জন্য পা বাড়িয়েছিলেন সুরেশ। আপদ বিদায় হয়েছে। তিনি চলে যাওয়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না।’ লকেট চট্টোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার জন্য সুবীরই দায়ী বলেও দাবি করেন তিনি।