চৈত্র সেল। পাটভাঙা পাঞ্জাবি, শাড়ি। মন্দিরে মন্দিরে পুজো। হালখাতা। মিষ্টিমুখ। এসব ছাড়া বাঙালির নববর্ষ জমে নাকি। আর তার উপর অস্বস্তিকর গরম। পয়লা বৈশাখের একইরকম আবহাওয়া থাকবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিসে। তবে বিকেলের পর থেকে বেশ কয়েকটি জেলায় হতে পারে ঝড়বৃষ্টি। তবে গরম থেকে বিশেষ রেহাই পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩-৪ দিন ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। সোমবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৬ থেকে ৯১ শতাংশ। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকলেও। দিনের তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের নিচে। সোমবার দিনের তাপমাত্রাও স্বাভাবিক বা তার উপরে উঠতে পারে। আরও ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
তবে পশ্চিমের জেলাগুলিতে হতে পারে ঝড়বৃষ্টি। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে ঝড়বৃষ্টি হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। মঙ্গল ও বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়ার সতর্কবার্তা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত গরম ও অস্বস্তি আরও বাড়বে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়ার সর্তকতা জারি করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা বেশ ঊর্ধ্বমুখী। তবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। মূলত দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এই তিন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আগামী ২-৩ দিন এমন আবহাওয়া জারি থাকবে। উত্তরবঙ্গের নিচের দিকের জেলায় মূলত শুষ্ক আবহাওয়া। তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গের নিচের দিকের জেলাগুলিতে ৩-৪ ডিগ্রি পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।