নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সোমবার বাদুড়িয়াতে নির্বাচনি সভা করতে আসছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি কী বার্তা দেন, এখন সে দিকেই তাকিয়ে শুধু বাদুড়িয়া নয়, গোটা বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল। এদিন ৫০ হাজার মানুষের জমায়েতের টার্গেট নিয়েছে তৃণমূল। তবে দলের অন্দরের নেতারা মানছেন, সংখ্যা নয়, আসল বিষয় হল সাংগঠনিক পরিস্থিতি আরও শক্তপোক্ত করা। তাই, গত কয়েকদিন ধরে বুথে বুথে বৈঠক, অঞ্চলভিত্তিক সমন্বয়, কর্মীদের সক্রিয় করা– সবই হয়েছে।
তবে বাদুড়িয়ার সভার গুরুত্ব শুধুই ভিড়ের অঙ্কে আটকে নেই। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে এই কেন্দ্র এখন চর্চার বিষয়। টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন কাজি আব্দুর রহিম। তিনি এখনও খাতায়-কলমে তৃণমূলের বিধায়ক। কিন্তু ছাব্বিশের ভোটে তিনি বাদুড়িয়ার কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ জমাট বেঁধেছে। নিচুতলার কর্মীদের একাংশ স্পষ্ট করে বলছেন, ‘সফট’ লাইন নয়, এবার দরকার কড়া অবস্থান। এই ‘বিশ্বাসঘাতক’দের বিরুদ্ধে দল কী পদক্ষেপ নেবে, সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সংগঠনে। এই প্রেক্ষাপটে অভিষেকের বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে আজ।
গত কয়েক মাসে তাঁর প্রচারে একটি লাইন বারবার উঠে এসেছে– এই লড়াই শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য নয়, অস্তিত্ব রক্ষার জন্য। ফলে, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বাদুড়িয়ার সভায় এসআইআর পর্বে তৃণমূলের ‘সেনাপতি’র বক্তব্য কী হয়, তা শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন নেতা-কর্মীরা। এনিয়ে বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বাদুড়িয়ার তৃণমূল প্রার্থী বুরহানুল মোকাদ্দিম ওরফে লিটন বলেন, অপেক্ষায় রয়েছি আমাদের ‘আইকন’ কী বার্তা দেন, সেটা শুনতে। সভাতে ৫০ হাজার মানুষ জমায়েত হবেন কেবল বাদুড়িয়া থেকে। তাছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিধানসভা থেকে কর্মী-সমর্থকরা আসবেন।