ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম কাটা গিয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকার ফেরানো নিয়ে বড় বার্তা দিলেন অভিষেক। করিমপুরের সভা থেকে বড় আশ্বাস তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে, সোমবার করিমপুরে রেগুলেটেড মার্কেট গ্রাউন্ডে সভা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ দিন অভিষেক আশ্বাস দেন, গায়ের জোরে, নথি ঠিক থাকার পরেও যাঁদের নাম SIR করে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের পাশে রয়েছে তৃণমূল। তিনি বলেছেন, ‘ভোট সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিন...৪ মে মমতার সরকার তৈরি হবে। জ্ঞানেশ কুমার ফিনিশ। জ্ঞানেশ কুমার ভ্যানিস। তার পরে এক মাসের মধ্যে ভোটাধিকার ফেরাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এটা আমাদের শপথ।’
তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তেহারে এই প্রসঙ্গ নেই, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে অভিষেকের সংযোজন, ‘নির্বাচনী ইস্তেহারে এটি নেই। কিন্তু মনের ভিতর রয়েছে।’ এনআরসি প্রসঙ্গ তুলে অভিষেক মনে করিয়েছেন, ‘বিজেপি বলেছিল এনআরসি করবে। আমরা করতে দিইনি।’ তাঁর সংযোজন, ‘বিজেপি মানে ডিটেনশন। তৃণমূল মানে নো টেনশন।’
রানাঘাটের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ‘যাঁদের ভোটে জিতেছিল তাঁদের নাম বাদ। মতুয়াদের নাম বাদ। বিজেপিকে যাঁরা ভোট দিয়েছিলেন তাঁদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বাড়ি দিচ্ছে তৃণমূল সরকার।’
এ দিন সভা থেকে একাধিক ইস্যু তুলে বিজেপিকে আক্রমণ শানান অভিষেক। বাংলার সংস্কৃতিকে বিজেপি আক্রমণ করছে বলে অভিযোগ করেন। মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে বিজেপি বার বার আক্রমণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিষেক। এ দিন তাঁর বক্তব্যে রাজ্যের প্রকল্পের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূল প্রার্থীদের ভোটে জেতানোর ডাক দিয়ে অভিষেকের হুঁশিয়ারি, ‘টাকা বন্ধ করে শাস্তি দেওয়ার কথা ভাবছে বিজেপি...৪ মে বাংলা মানুষ দেখাবেন শাস্তি কী...লকডাউন, নোটবন্দি, গ্যাসের লাইনে দাঁড় করানোর প্রতিবাদ ভোটের দিন লাইনে দাঁড়িয়ে দেবেন।’