এনএসজির পোশাকে ‘র’ কর্তা বলে প্রচার! বিজেপি প্রার্থী দীপাঞ্জনকে নিয়ে ক্ষোভ প্রাক্তন কমান্ডো
প্রতিদিন | ১৩ এপ্রিল ২০২৬
রাজনৈতিক মঞ্চে এনএসজির পোশাক। নিজেকে ‘র’-এর প্রাক্তন কর্তা বলে পরিচয়ও ব্যক্ত করেছেন উত্তরপাড়ার বিজেপি প্রার্থী দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তারই প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন কমান্ডো সুজয় মণ্ডল। তিনি সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সেস এক্স এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের সভাপতি। ২০৬ কোবরা কম্যান্ডোতে কর্মরত ছিলেন তিনি। ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অপারেশন চালানোর সময় তিনি আহত হন।
রবিবার সুজয় মণ্ডল বলেন, দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলছেন, তিনি বহু বছর ধরে এনএসজি কম্যান্ডো ছিলেন। কিন্তু সাধারণভাবে তিন থেকে পাঁচ বছরের বেশি কম্যান্ডোয় থাকা যায় না। তিনি নিজেকে সেনাকর্তা বলেছেন। তার পর আবার বলেছেন, তিনি আইটিবিপি থেকে ডেপুটেশনে এনএসজিতে গিয়েছিলেন। সেই ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে সেনাকর্তা বলতে পারেন না। এভাবে তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। তিনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হয়ে প্রচার করতেই পারেন। কিন্তু রাজনৈতিক মঞ্চে তিনি এনএসজি-র ইউনিফর্ম পরতে পারেন না। কোনওভাবেই রাজনৈতিক দলের হয়ে ভোটের প্রচারের সময় এনএসজি-র মনোগ্রাম ব্যবহার করতে পারেন না।
সুজয় মণ্ডলের দাবি, এভাবে তিনি দেশকে ছোট করছেন। ডিপার্টমেন্টকে ছোট করছেন। যেখানে কোনও ‘র’-এর কর্মী বা প্রাক্তন কর্মী নিজের খুব কাছের লোকেদেরও তাঁর কাজের সম্পর্কে কিছু জানান না। সেখানে এভাবে সবার সামনে নিজেকে ‘র’-এর প্রাক্তন আধিকারিক হিসাবে পরিচয় দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুজয় মণ্ডল। ফলে নির্বাচনের আগে রীতিমতো অস্বস্তির মুখে উত্তরপাড়ার বিজেপি প্রার্থী দীপাঞ্জন চক্রবর্তী।
যদিও এই বিষয়ে আগেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি। দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর দাবি, তিনি যা নথি সব হলফনামায় জমা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের সপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ রয়েছে। এই বিষয়ে বিতর্কের কোনও জায়গা নেই।