TCS সংস্থার নাসিকের BPO ইউনিটে মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তকরণের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই মামলায় ওই BPO-র বেশ কয়েকজন টিমলিডের পাশাপাশি অভিযোগের আঙুল উঠেছে মানবসম্পদ বা HR বিভাগের ম্যানেজার, নিদা খানের বিরুদ্ধেও। নির্যাতিতারা তাঁর বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন।
বেশ কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকার পরে গত শুক্রবার তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত যত এগোচ্ছে অনেকেই বলছেন, নিদা খানই TCS-এর অন্দরে গোপনে মাথাচাড়া দেওয়া যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তকরণ চক্রের মাস্টারমাইন্ড!
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, TCS-এর নাসিকের ওই BPO ইউনিটে HR ম্যানেজার ছিলেন বছর তিরিশের নিদা। HR ম্যানেজার হিসেবে ‘POSH’ অর্থাৎ, কাজের জায়গায় যৌন হেনস্থা প্রতিরোধের নীতি কার্যকর করা এবং কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ছিল তাঁরই কাঁধে।
অভিযোগকারিণীদের দাবি, দিনের পর দিন তাঁরা হেনস্থার অভিযোগ জমা করেছেন। কিন্তু নিদা কোনও পদক্ষেপ তো করেনইনি, উল্টে মুখ বন্ধ রাখার জন্য তাঁদের চাপ দিতেন। নাসিক সিটি পুলিশের অন্তর্গত মুম্বই নাকা ও দেওলালি ক্যাম্প থানায় সব মিলিয়ে ৯টি FIR দায়ের হওয়ার পরেই এই তদন্তে গতি আসে।
এই ঘটনার শিকড়ে পৌঁছতে নাসিক পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা SIT গঠন করেছে। নিদা-ই এই হেনস্থা এবং ধর্মান্তকরণ চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কিনা, তা খতিয়ে দেখছে সিট।
এ দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি উঠেছে, পুরুষ সহকর্মীদের একাংশ নিদাকে কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিমের অনুকরণে ‘লেডি ডি’ বলে ডাকতেন। যদিও এই দাবিগুলির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় আপাতত তদন্তকারীদের রাডারে j/রয়েছেন নিদা।