দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ভোটকেন্দ্রে আঙুলের ছাপ ও আইরিস (চোখের মণি) ভিত্তিক বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ চালুর আবেদন নিয়ে জনস্বার্থ মামলা সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যগুলির কাছে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টে যে পিটিশন দাখিল করা হয়েছে, বর্তমানে ভোটারের যে যাচাই প্রক্রিয়া রয়েছে তাতে অনেক ত্রুটি রয়েছে। সেই কারণে ডুপ্লিকেট’ ও ‘ঘোস্ট ভোটিং’-এর মতো সমস্যা থেকে যাচ্ছে। এমনকী প্রতারণা, প্রভাব খাটানোর মতো ঘটনা ঘটছে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে। সেই কারণে বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ চালু করলে এই প্রক্রিয়া অনেকটাই স্বচ্ছ হবে। পাশাপাশি, ‘এক ব্যক্তি, এক ভোট’ নীতি কার্যকর হবে।
সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মতামত চেয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য বিষয়টি তালিকাভুক্ত করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে কি না, তা এখন বিস্তারিত ভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
পশ্চিমবঙ্গের ভোটে গন্ডগোল, মারামারি ঘটনা সহজাত হয়ে উঠেছে। সোমবারই কলকাতার একাধিক স্পর্শকাতর ও অতি স্পর্শকাতর বুথের পরিসংখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ দিন কমিশন জানিয়েছে, ৪৮ শতাংশ বুথ অতি স্পর্শকাতর। মোট অতি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ৮৩৭টি, অতি স্পর্শকাতর ভোট কেন্দ্র ২৬৪টি। সেগুলি হলো–
১) জোড়াসাঁকো
২) চৌরঙ্গী
৩) শ্যামপুকুর
৪) এন্টালি
৫) কাশীপুর - বেলগাছিয়া
৬) বেলেঘাটা
৭) মানিকতলা