• বাড়বে গরম, সঙ্গে আর্দ্রতাও, ফল ঘোষণার আগেই কঠিন পরীক্ষায় প্রার্থীরা
    এই সময় | ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • এই সময়: মেঘ ও বৃষ্টির সৌজন্যে এপ্রিলের প্রথম দু’টো সপ্তাহ মোটের উপরে আরামেই ভোটের প্রচার করেছেন প্রার্থীরা। তাঁদের সেই সুখের দিন আপাতত শেষ — মনে করছেন আবহবিদরা। ভোট যত এগিয়ে আসবে, গরমের জন্য দিনের বেলা ভোটের প্রচার ততই কঠিন হতে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    রাজ্য জুড়ে, বিশেষত দক্ষিণবঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মের পর্ব। সোমবার আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবে ট্রপোস্ফিয়ারের নীচের স্তর দিয়ে এই অঞ্চলের উপরে শুকনো এবং গরম বাতাস পশ্চিম ও উত্তর–পশ্চিম দিক থেকে বয়ে যাওয়া শুরু হয়েছে। এই বাতাসের প্রভাবেই আজ মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোয় উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করার সম্ভাবনা খুব বেশি।

    এপ্রিলের শুরুতে বাংলা সর্বোচ্চ তাপমাত্রাকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে উঠতে দেখেছে মাত্র দু’দিন। ৩ এপ্রিল পানাগড় (৪০.৪) এবং বাঁকুড়া (৪০) ও ৪ এপ্রিল পানাগড় (৪০)। তার পর থেকেই পর পর ঝড়–বৃষ্টির দৌলতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে গিয়েছিল। তবে রবিবার থেকে সেই পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতি হতে শুরু করেছে। সোমবার পানাগড় (৩৯.৫) ফের ৪০ ডিগ্রির দরজায় গিয়ে পৌঁছেছে। আবহবিদরা মনে করছেন, বাংলা নববর্ষের আবহেই ফের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছবে।

    তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতার পাল্লাও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই কারণেই দক্ষিণবঙ্গের অনেকটা এলাকা জুড়ে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি দিনের প্রায় বেশিরভাগ সময়েই জারি থাকবে। সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বেলা যত বাড়তে থাকে, সেই অনুযায়ী শুকনো গরমের প্রকোপ বাড়ে। কিন্তু এ বার এপ্রিলের মাঝামাঝি আর্দ্রতা বৃদ্ধির জন্য ঘাম বাড়বে এবং তার ফলে মানুষ অনেক তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। যে ক্লান্তি গ্রাস করবে ভোট–প্রার্থীদেরও। অন্য দিকে সন্ধেবেলাতেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি পুরোদস্তুর বজায় থাকবে।

    ৪ মে ফল ঘোষণার আগেই ভোট প্রচারের শেষ দু’সপ্তাহ প্রকৃতি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের কঠিন পরীক্ষা নিতে চলেছে।

  • Link to this news (এই সময়)