সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: চা শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী আবাস, জমির পাট্টা, পাট্টার জমিতে ঘরের জন্য চা সুন্দরী এক্সটেনশন প্রকল্পে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। বাগানগুলিতে ক্রেশ, হাসপাতাল তৈরি, শ্রমিকদের পড়ুয়াদের জন্য স্কুলবাস চালু। এবার ভোটে চা শ্রমিকদের জন্য রাজ্য সরকারের একের পর এক এই জনমুখী প্রকল্পের ডিভিডেন্ড মিলবে বলে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি।
তৃণমূল নেতৃত্বের প্রশ্ন, বিজেপি দেখাতে পারবে তাদের সরকার কী করেছে চা শ্রমিকদের জন্য। কারণ গত ১২ বছরে কেন্দ্র সরকার চা শ্রমিকদের শুধু ধোঁকা দিয়েছে। যদিও বিজেপি পালটা প্রচার করছে ডুয়ার্সে বহু বাগান খুলতে ব্যর্থ রাজ্য। শ্রমিদের ন্যূনতম মজুরি চালু করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।
তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান নকুল সোনার বলেন, চা শ্রমিকদের জন্য বহু জনমুখী প্রকল্প চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শ্রমিক পরিবারের পড়ুয়াদের স্কুলে যাওয়ার জন্য সরকার বাস দিয়েছে। বাগানেই খোলা হয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে। মায়েরা যাতে শিশুকে নিরাপদে রেখে বাগানে কাজ করতে পারেন তারজন্য ক্রেশ চালু করেছে রাজ্য সরকার। এবার ভোটে অবশ্যই এসবের ডিভিডেন্ড মিলবে আমাদের।
নকুলবাবুর দাবি, চা বাগান নিয়ে বিজেপির হাতে কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজে উত্তরবঙ্গে এসে গালভরা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন। আমাদের সরকার চা শ্রমিকদের সঙ্গে আছে। এবার চা বলয়ের ভোট জোড়াফুলেই পড়বে।
অন্যদিকে, বিজেপির চা শ্রমিক সংগঠন বিটিডব্লুইউয়ের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি যুগলকিশোর ঝা বলেন, ডুয়ার্সে বহু বাগান এখনও বন্ধ। রাজ্য সরকার বন্ধ বাগান খুলতে পুরোপুরি ব্যর্থ। শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরিও অমিল। আমরা শ্রমিকদের মাঝে রাজ্যের এই ব্যর্থতার কথাই তুলে ধরছি। চা বাগান বিগত ভোটগুলিতে বিজেপির পাশে ছিল, এবারও থাকবে।