• ভোটে গুন্ডামি রুখতে হেল্প লাইন চালু অধীর চৌধুরীর
    বর্তমান | ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ভোটারদের ভয় দেখানো হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা। চালু হচ্ছে অধীরের হেল্পলাইন নম্বর। বিধানসভা নির্বাচনে নজিরবিহীন পদক্ষেপ বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থীর। 'নির্বাচনের দিন যাতে কোনো ভোটারকে ভয় দেখাতে না পারে তাই হেল্প লাইন নম্বর চালু করতে চাই। মানুষ আমার কাছে ওই নম্বরে অভিযোগ জানতে পারবে। ফোন পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' হুঁশিয়ারি অধীর চৌধুরীর। যদিও পাল্টা তৃণমূলের তরফে অধীরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। 

    অধীরবাবু বলেন, আমি চারটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করছি। বহরমপুরের কোনো বুথে কোথাও যদি রংবাজি হয়, মানুষকে যদি ভোট দানে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ওই নম্বরে জানালে আমি ব্যবস্থা করব। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর নিশ্চয়ই ভরসা আছে। আশা করি তারা ভোটের দিন ঠিকঠাক কাজ করবে। দুর্বৃত্তরা সাধারণ ভোটারদের ভোটদানে যেতে বাধা দিতে না পারে, ভয় দেখিয়ে যাতে মানুষকে ঘরে আটকে না রাখতে পারে, সেজন্য বিশেষভাবে নজর দিতে চাই। সেজন্য আমি হেল্পলাইন চালু করতে চাই। একজন প্রার্থী হিসেবে এই নম্বর চালু করছি। সাধারণ মানুষকেই নম্বর দিয়ে দেব, যাতে তারা কোনো সমস্যায় পড়লে আমাদের জানাতে পারে। 

    এই প্রথম কমিশন ও পুলিশের উপর ভরসা না রেখে নিজের তরফে হেল্প লাইন নম্বর চালু করছেন অধীর। মানুষের অভিযোগ পেয়ে নিজেই ছুটে যাবেন সেখানে। অধীর আরও বলেন, আমি বহরমপুর বিধানসভা ভিত্তিক এই হেল্পলাইন নম্বর চালু করছি। কিছু তো করার নেই। এখানকার পুলিশের উপর আমাদের কোনো ভরসা নেই। নীচুতলার কিছু পুলিশ তৃণমূলের দালালি করবেই করবে। 

    অধীরবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নীচুতলার যে পুলিশ, তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। তারা সব রকম ভাবে চেষ্টা করছে সরকারি দল তৃণমূলের দালালি করার।  

    যদিও অধীরের বিরুদ্ধে পাল্টা মুখ খুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপালবাবু বলেন, নির্বাচন কমিশনকে অধীর চৌধুরী কীভাবে ব্যবহার করবে সেই স্ট্র্যাটেজি তৈরি করছে। এর আগে বিভিন্ন যে ভোট করেছে, সেখানে একাধিক ফেজে ভোট করে মানুষের সমস্যা তৈরি করেছে। বহরমপুরে যতবার ভোট হয়েছে মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিয়েছে। ৮০ শতাংশের উপরে ভোট পড়েছে। মানুষকে এই নির্বাচনের আগে কী বলবে, সেটাই এখন বুঝে পাচ্ছে না অধীরবাবু। মানুষের কাছে কোন দাবি নিয়ে অধীর চৌধুরী ভোট চাইতে যাবে?  ওঁর কোনো এজেন্ডা নেই। তাই এখন এসব ভুলভাল নম্বর দিয়ে মানুষকে বিশাল হেল্প করার চেষ্টা করছে। এত বারের সাংসদ শহরবাসীকে কোনো কাজ উপহার দেয়নি। তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা যাবতীয় নাগরিক পরিষেবা দেয়। মানুষ সেই দেখে ভোট দেবেন। একবার সুযোগ পেলে শহরকে ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করব। 

     
  • Link to this news (বর্তমান)