নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমবার শীর্ষ আদালতে শুনানির পরও বিচারাধীন তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারদের ভাগ্য ঝুলেই রইল! আর এর মাঝেই প্রথম দফা ভোটের মাত্র ১০ দিন আগে কাজ শুরু করল এসআইআর অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল।
রবিবারই জোকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশনের কার্যালয়ের পরিকাঠামো যাচাই করেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও ট্রাইবুনালের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাক্তন বিচারপতিরা। প্রধান বিচারপতির তরফে ছাড়পত্র মেলার পরই ট্রাইবুনালের কাজ শুরু হয়েছে। রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য যে ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন হয়েছে তার সবকটি বেঞ্চই জোকা থেকে কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। প্রত্যেক প্রাক্তন বিচারপতির সঙ্গে থাকবেন চার থেকে পাঁচজন কর্মী। তাঁদের কাজ হল নথি যাচাইয়ের কাজে সহায়তা প্রদান করা। ট্রাইবুনালের কাজের জন্য সব মিলিয়ে ২১টি ঘর নেওয়া হয়েছে জোকার প্রতিষ্ঠানে। ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া ব্যক্তিরা ট্রাইবুনালের কাছ থেকে জানতে পারবেন, কেন বা কোন তথ্য না-দিতে পারায় তাঁদের নাম ‘ডিলিট’ হয়েছে। একইভাবে কোনো নাম যদি ভুলবশত তালিকায় স্থান পায়, সেটাও পর্যালোচনা করে দেখা হবে।
সূত্রের খবর, প্রাথমিক পর্যায়ে আপাতত কোনো শুনানি হবে না। প্রাথমিকভাবে নথি যাচাইয়ের কাজ করবেন বিচারপতিরা। নথি যাচাইয়ের সঙ্গে সঙ্গে যেসব আবেদনের নিষ্পত্তি সম্ভব, তা করে দেওয়া হতে পারে। কোনো নথি সম্পর্কে আপত্তিকর কিছু মনে হলে পরবর্তীতে শুরু হবে শুনানি প্রক্রিয়া। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট দিয়ে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ৩৪ লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়েছে।