সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir)। তাঁর ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় উঠেছে। সোমবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা ব্লকের ঘোড়াইপাড়ায় জনসভায় গিয়েও ধাক্কা খেতে হলো তাঁকে। লোক নেই। সারি সারি চেয়ার ফাঁকা। যা দেখে বেজায় চটলেন হুমায়ুন।
ফরাক্কা বিধানসভার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী ইমতিয়াজ মোল্লার সমর্থনে প্রচারে গিয়েছিলেন হুমায়ুন। হেলিকপ্টারে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে শেষ পর্যন্ত গাড়িতেই সভাস্থলে পৌঁছন তিনি। কিন্তু সমাবেশ স্থলে পৌঁছে ফাঁকা মাঠ দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তীব্র গরমের মধ্যে খোলা মঞ্চ আর কর্মীদের অনুপস্থিতি দেখেও বেজায় অসন্তুষ্ট হন।
এ দিন দলীয় কর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দেন হুমায়ুন। একই সঙ্গে তৃণমূলকেও তোপ দাগেন তিনি। হুমায়ুনের কথায়, ‘শাসক দল রাজ্যে ১০০টি সিটও পাবে না। আমার কথা মিলিয়ে নেবেন।’ এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তবে হুমায়ুনের সভায় লোক না হওয়ায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। ফরাক্কার তৃণমূল প্রার্থী আমিনুল ইসলামের কথায়, ‘মানুষ সব জেলে গিয়েছে। তিনি আসলে বিজেপির দম দেওয়া পুতুল।’ হুমায়ুনের জনসভায় যে ক’টা লোক হয়েছিল, তাঁরা আসলে হেলিকপ্টার দেখতে গিয়েছিলেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
উল্লেখ্য হুমায়ুনের সঙ্গে বিজেপির গোপন আঁতাত রয়েছে অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার একটি ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় অনলাইন) সামনে আনে তৃণমূল। সেখানে শোনা যায়, বিজেপির কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন তিনি। বদলে বিজেপিকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিতেও দেখা যায় তাঁকে। ফাঁস হওয়া ভিডিয়ো আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স দিয়ে বানানো বলে পাল্টা তোপ দেগেছেন হুমায়ুন। তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।