• সবাই একসঙ্গে থাকলে কেউ হারাতে পারবে না: অভিষেক
    আজকাল | ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক:  ভোটের শুরু থেকে গণনা পর্যন্ত দলের করণীয় স্থির করে দিতে অন্তত ৩০ হাজার প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। ভার্চুয়াল এই বৈঠকে ছিলেন দলের সব সাংসদ, প্রার্থী, ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কমিটি, বিএলএ (১), পুরপ্রতিনিধি এবং শাখা সংগঠনের সভাপতিরা। তাঁদের উপস্থিতিতেই শেষ পর্বের প্রচার থেকে বাকি সাংগঠনিক কাজের কথা বুঝিয়ে দিলেন অভিষেক।

    এদিনের বৈঠকে অভিষেক বলেন, ‘বিগত ছমাস ধরে যে পরিশ্রম করা হচ্ছে তা যেন বিফলে না যায়। ট্রাইবুনাল সঠিকভাবে কাজ করছে না। নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে কাজ করছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে আরও এজেন্সিও। বিজেপিকে জেতানোর জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে। যে ২৭ লাখ ভোটারদের নাম বাতিল করা হয়েছে তারা সকলেই তৃণমূলপন্থী এমনটাই অনুমান করা হচ্ছে। কোচবিহার থেকেই ঘোষণা করেছি তৃণমূলের ভোটের ভাগাভাগি বাড়ছে। প্রথম দফা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। আগামী ১৫ দিন আরও লড়াইয়ের জন্য তৈরি থাকতে হবে।’  

    এদিন তিনি আরও বলেন, ‘যদি তারা ৬০ লাখ নাম মুছে দেয় তাহলেও আমাদের হারাতে পারবে না। প্রতিটি এলাকায় দলের কর্মীদের পারফরম্যান্স বিচার করা হবে। বিজেপি বুঝে গিয়েছে তারা এখানে জিততে পারবে না। ২০২১ সালেও এটা হয়েছিল। এবার তৃণমূল ২০২১ সালের রেকর্ড ভেঙে দেবে। যেভাবে আইপ্যাককে টার্গেট করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে আইনী পথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাই একসঙ্গে থাকলে কেউ হারাতে পারবে না।’    

          আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে রাজ্যের ১৫২ কেন্দ্রে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে রয়েছে সব দল। প্রথম দফার ভোটের আগে হাতে রয়েছে আর মাত্র ৯ দিন। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার রাত আটটায় দলের নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি।

    বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগেই আইপ্যাকের অন্যতম পরিচালক ও সহ–প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেলকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারির খবর শুনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে আইপ্যাক এর সহ প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেলের গ্রেপ্তার একটি উদ্বেগজনক ঘটনা। যখন পশ্চিমবঙ্গে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সেই সময়ে এই ধরনের পদক্ষেপ একটি ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে। যদি আপনি বিরোধী দলের সঙ্গে কাজ করেন, তবে আপনার পালাও আসতে পারে। এটা গণতন্ত্র নয়–এটা ভীতি প্রদর্শন!’

     
  • Link to this news (আজকাল)