• প্রচারের চাপেও ভাঙেনি দিলীপের ফিটনেস রুটিন, কোন ‘এনার্জি ড্রিঙ্ক’ পছন্দ দাবাং প্রার্থীর?
    প্রতিদিন | ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • এবারের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। যিনি ফিটনেস ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে বরাবরই সচেতন। কিন্তু টানা ভোটপ্রচারের ব্যস্ততার মধ্যে সেই নিয়ম মেনে চলা কতটা সম্ভব হচ্ছে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

    ভোরেই দিন শুরু
    পাঁচটার আগেই ঘুম থেকে ওঠা, যেটা তাঁর বহুদিনের অভ্যেস। কলকাতায় থাকলে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে হাঁটতে বের হওয়া। এখন প্রচারের জন্য অনেকটা পথ হাঁটতে হয়। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ বেরিয়ে পড়া, টানা প্রচার আর মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতা। দিনে প্রায় তিন ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি।

    চা-চক্র থেকে সরাসরি প্রচারে
    শুরুর দিকে চা-চক্রের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ। এখন প্রচার কর্মসূচি বাড়ায় অনেকটা সময়ই মানুষের সঙ্গে কাটছে।

    সাধারণ খাবার, মাঝে কর্মীদের আপ্যায়ন
    সকালবেলার প্রচার শেষে বাড়ি ফিরে স্নান সেরে প্রাতঃরাশ। ইডলি খেতে ভালোবাসেন, তবে এখন রুটি-সবজিও থাকছে প্রাতঃরাশের মেনুতে। অনেক সময় কর্মীদের বাড়িতে খেতে হয়, এড়াতে চাইলেও তাদের আন্তরিকতায় কখনও লুচি-আলুরদমও খেতে হয়। দুপুরে ডাল, ভাত, সবজি। রাতে হালকা খাবার, দুটো রুটি আর সবজি।

    প্রচারের ফাঁকে খুব কমই খাওয়া
    সারাদিন প্রচারের মাঝে তেমন কিছু খাওয়া হয় না। তবে কেউ ডাবের জল দিলে সেটা অবশ্য খান। বাইরে কিছু খাওয়ার অভ্যেস নেই বললেই চলে।

    বিকেলের পর আবার মাঠে
    দুপুরে সাধারণত ঘণ্টাখানেক বিশ্রাম, যদিও এখন প্রতিদিন সম্ভব হয় না। বিকেল সাড়ে পাঁচটা-ছটা নাগাদ আবার বেরিয়ে পড়া। রাত সাড়ে নয়টা-দশটা পর্যন্ত প্রচার চলে।

    ঘুম কম, তবু নিয়ম মেনে
    রাত এগারোটায় শুয়ে পড়া। ভোরে আবার উঠতে হয়, তাই ঘুম কম হলেও একটা নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা থাকে।

    যোগাভ্যাস এখন সীমিত
    কলকাতায় থাকলে হাঁটার সঙ্গে কিছু এক্সারসাইজ হয়ে যায়। এখানে এত বেশি হাঁটাহাঁটি করতে হচ্ছে যে আলাদা করে ব্যায়ামের সময় পান না। বাড়ি ফিরে অল্প কিছু যোগব্যায়াম, আর তাতেই শরীর একটু রিল্যাক্স হয়।

    মানুষের সঙ্গে মিশেই শক্তি
    সাধারণ মানুষের বাড়িতে যাওয়া, তাদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া, এই অভিজ্ঞতাই সবচেয়ে বড় পাওনা। এখান থেকেই তিনি পান পরের দিনের জন্য শক্তি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)