বাগডোগরা জংলি বাবার মন্দিরে সিদ্ধিদাতার পুজো করেন ব্যবসায়ীরা
বর্তমান | ১৫ এপ্রিল ২০২৬
শ্যামল পাল,বাগডোগরা: বছরের প্রথম দিন বাগডোগরা জংলি বাবার মন্দিরে পুজো দিয়ে সিদ্ধিদাতার পুজো করেন কয়েকশ ব্যবসায়ী। বাগডোগরা বনাঞ্চলের ভিতরে অবস্থিত এই শিবমন্দিরে সারা বছরই ভক্তদের ভিড় থাকে। বিশেষ বিশেষ তিথিতে ভক্তদের ঢল নামে। তবে প্রতি বছর পয়লা বৈশাখের দিন সকাল থেকেই বাগডোগরা, নকশালবাড়ি ও মাটিগাড়া সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা জংলি বাবার মন্দিরে পুজো দিতে আসেন। সেখানেই সকাল সকাল হালখাতা নিয়ে মহাদেব ও সিদ্ধিদাতা গণেশকে পুজো দিয়ে নিজেদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পুজো ও হালখাতা শুরু করেন। এছাড়াও বছরের প্রথম দিনে মন্দিরে পুজো দিয়ে বাগডোগরা টিপুখোলা ইকো ট্যুরিজম স্পটে সপরিবারে অনেকে ঘুরতে যান।
বাগডোগরার এক ব্যবসায়ী অমল সরকার বলেন, দুপুরে দোকানে পুজো শেষ করে হালখাতা শুরু করি। তার আগে সকালে প্রত্যেক বছর বাগডোগরা জংলি বাবা মন্দিরে সপরিবারে গিয়ে পুজো দিয়ে আসি। বাবার মাথায় জল ঢেলে সিদ্ধিদাতার পুজো করি সকলে মিলে। এছাড়াও সুকান্ত শীল নামের আরেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, আমাদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে এই জংলি বাবা মন্দিরের সঙ্গে। তাই বছরের প্রথম দিনে মন্দিরে পুজো করেই দিনের শুরু করে আসছি গত কয়েক বছর ধরে। এবারও তাই করব বলে ভেবে রেখেছি। শিপ্রা আচার্য নামের এক শিবমন্দিরের বাসিন্দা বলেন, সন্তানদের নিয়ে বছরের প্রথম দিন জংলি বাবা মন্দিরে পুজো দিয়ে আশপাশে ঘুরতে যাব ভেবে রেখেছি। আগেও কয়েকবার গিয়েছিলাম। আশপাশের সবুজ ঘন জঙ্গল ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে বেশ খুশি হয় বাচ্চারা। নিজেদেরও ভালো লাগে।
সবুজ সাহা নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, বাড়ির পাশে জঙ্গলের ভিতরে শ্রীশ্রী ১০৮ জংলি বাবা মন্দিরে সারা বছর গিয়ে থাকি। তবে বাংলা নববর্ষের দিনে সেখানে যাওয়াটা বাদ যায় না কোনোবার। এবারও ভিন্ন হবে না। বন্ধুদের সঙ্গে প্রথমে বাবার মাথায় জল ঢেলে ঘুরতে বেরিয়ে পড়ব পাশের ইকো ট্যুরিজম স্পটগুলিতে। অনেকেই ভিড় জমান এই মন্দিরে।