• বিজেপিতে নেই, কিন্তু গানে আছেন 'এই তৃণমূল আর না'র সেই বাবুল
    আজ তক | ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০২১। ঠিক পাঁচ বছর আগে বিধানসভা ভোট। বিজেপির জোরালো হাওয়া। তৃণমূল ছেড়ে নেতাদের ভিড় পদ্মশিবিরে। বঙ্গ রাজনীতির প্রচার-আকাশে বাজছে 'এই তৃণমূল আর না..'। গানের স্রষ্টা বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলের সাংসদ। দাঁড়িয়েছেন টালিগঞ্জের বিধানসভা আসনে। তারপর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। 

    ২০২৬। আবারও একটা বিধানসভা ভোট। সেই বাবুল এখন তৃণমূলে। রাজ্যসভার সাংসদ। তবে তাঁর গান এখনও ইতিউতি বাজছে। এর মধ্যেই বঙ্গ বিজেপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে একটি রিল পোস্ট করা হল। তাতে আছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর রিলের পার্শ্বসংগীত বাবুলেরই গান। 

    ২০২১ সালে 'এই তৃণমূল আর না...' গানটি নিয়ে বিতর্কও হয়েছিল বিস্তর। সিপিএম নেতারা দাবি করেছিলেন, এ গানের লিরিক্স লেখা হয়েছে তাঁদের স্লোগান 'চুরি' করে। বাবুল যুক্তি দিয়েছিলেন, রাজনৈতিক স্লোগান কোনও নির্দিষ্ট দলের হয় না। তিনিও নির্দিষ্ট দলের গণ্ডিতে থাকলেন না। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরেই প্লেয়িং ইলেভেনে খেলবেন বলে দল পাল্টালেন। আসানসোলের সাংসদ পদ ছাড়লেন। তৃণমূলের টিকিটে জিতলেন বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে। রাজ্যের মন্ত্রীও হন। কিন্তু 'এই তৃণমূল আর না...' গান তাঁর আর পিছু ছাড়েনি। ত্রিপুরার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের প্রচারে গিয়েও তাঁকে শুনতে হয়েছে সেই গান। 

    ২০২৬ সালে আরও একটা ভোট। এবার বাবুলের গান বঙ্গ বিজেপির একটি রিলের পার্শ্বসংগীত। সেই ভিডিওতে অমিত শাহও রয়েছেন। বাজছে 'ঘোরতিমিরঘন...'। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'রাজকাহিনি' ছবিতে গেয়েছিলেন বাবুল। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জনগণমন'-এর চতুর্থ স্তবক- 'ঘোরতিমিরঘন নিবিড় নিশীথে...'

    বিজেপির এক নেতার বক্তব্য, রাজনীতিবিদ হওয়ার আগে বাবুল সুপ্রিয় গায়ক। তাই শিল্পী বাবুলের গানই ব্যবহার করা হয়েছে। এটাই বিজেপি। শিল্পীকে রাজনীতির চশমায় দেখে না।  
  • Link to this news (আজ তক)