• ‘আলপনা আর নতুন শুরুর গল্প’, চৈত্রের শেষ রাতে ঢাকার রাজপথ রাঙালেন জয়া আহসান
    প্রতিদিন | ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • বৈশাখ এবার খানিক আগেই ধরা দিয়েছে জয়া আহসানের বাড়িতে। উৎসবের সাজ সাজ রং। নিজ হাতে মাখা পান্তা, ইলিশের সমাহার। রকমারি পদে সাজানো বৈশাখী পাত। তার সঙ্গে এক টুকরো ভালোবাসা। বাংলাদেশে নতুন বাংলা ক্যালেন্ডারের সূচনা এভাবেই করলেন জয়া। রাত পোহালেই বাঙালির চিরন্তন ‘পহেলা বৈশাখ’। বাংলাদেশে অবশ্য সোমবার রাত থেকেই নববর্ষযাপনের উন্মাদনা তুঙ্গে। এমন আবহে ঘরে মন বসেনি অভিনেত্রীর! অতঃপর চৈত্রের শেষ রাতে আমজনতার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে রং-তুলি নিয়ে রাজপথে নেমে পড়েছেন জয়া আহসান।

    পরনে পাট ভাঙা লাল পাড় ঘিয়ে রঙের শাড়ি। ভারী গয়না। হাতে একগাছা লাল চুড়ি। কোমড়ে আঁচল গুঁজে রং-তুলি নিয়ে ঢাকার রাজপথে আলপনা দিতে ব্যস্ত জয়া আহসান। বাংলাদেশে যাঁরা পয়লা বৈশাখ উদযাপন চাক্ষুষ করেছেন, তাঁরা সকলেই রাত জেগে আট থেকে আশির প্রজন্মের আলপনা দেওয়ার রীতি সম্পর্কে অবগত। আমজনতার সঙ্গে জয়াও মেতে উঠেছেন সেই প্রথা পালনে। অভিনেত্রী বলছেন, “আর সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্তই নেটভুবনে ভাগ করে নিয়ে দুই বাংলার অনুরাগীদের পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জয়টা আহসান। চৈত্রের শেষ রাত, আলপনা আর নতুন শুরুর গল্প। প্রতিবছর আমাদের পয়লা বৈশাখের এক অবিচ্ছেদ্য রীতি। সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।”

    জয়া আহসানের কথায়, “ধর্মীয় উৎসবের বাইরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উৎসব হল নববর্ষ। আমাদের এখানে পয়লা বৈশাখ খুব গুরুত্বপূর্ণ উৎসব।” জয়া আহসানের কথাতেই স্পষ্ট এই উৎসব বাংলাদেশের সার্বজনীন উৎসব। যেখানে বিভাজনের ঠাঁই নেই। রয়েছে শুধু একতার সুর। নববর্ষযাপনে সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা দিয়ে অভিনেত্রীর সংযোজন, “সকলে সকলকে নিয়ে ভালো থাকুক। সবার দুঃখে, সবার সুখে সবাই যেন পাশে থাকে।” অনুরাগীরাও পালটা জয়া আহসানকে বৈশাখী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কাজ, শুটিংয়ের বাইরে অভিনেত্রী বরাবরই পরিবার, স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে উৎসবে মেতে উঠতে ভালোবাসেন। গত ইদেও রঙিন পারিবারিক মুহূর্ত তুলে ধরেছিলেন। বাংলাদেশে বর্ষবরণের আবহেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ঐতিহ্য, আবেগের মেলবন্ধনে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে ষোলো আনা বাঙালিয়ানায় মেতে উঠেছেন জয়া আহসান।
  • Link to this news (প্রতিদিন)