• ‘আঁধার ঘুচিয়ে দাও নতুন ভোরে’, নাম না তুলে বিজেপিকে নিশানা করে নববর্ষের শুভেচ্ছা মমতার
    প্রতিদিন | ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মানুষকে এবার নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার  রক্ষার জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগের আবেদন করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, নাম না করে বিজেপিকে নিশানা করেও বার্তা দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নিজের লেখা ও সুর করা গানও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি। এদিন সামাজিক মাধ্যমে লেখার পাশাপাশি ভিডিও বার্তাও পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, “রাজ্যের সকল প্রান্তের মানুষকে হৃদয়ের অন্তর থেকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভনন্দন। এই নবীন ঊষালগ্নে আপনাদের প্রত্যেকের জীবন হয়ে উঠুক গ্লানিমুক্ত। নতুনের এই আবাহনে প্রতিটি প্রাণ পবিত্রতায় ভরে উঠুক।” 

    নববর্ষের সকালে এদিন বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সরকারি প্রকল্পগুলির বার্তা দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার কথাও উল্লেখ করেছেন। বিজেপি এজেন্সি দিয়ে বাংলায় জুলুম-অত্যাচার করছে, সেই বার্তাও দিয়েছেন। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যের দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন। এসআইআরের কারণে বহু যোগ্য ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার খুইয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ। বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বলে সরব হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। এদিনও সেই বিষয়কে উল্লেখ করেছেন মমতা। তিনি লেখেন, “রাজ্যের তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার পরও ১০৫ টি সামাজিক প্রকল্প করেছে। আগামী দিনে যাতে সমস্ত মানুষ ভাল থাকে সেটা দেখাই প্রধান টার্গেট। বিজেপি ভ্যানিশ ওয়াশিং মেশিন। সমস্ত এজেন্সি দিয়ে বাংলার ওপর জুলুম-অত্যাচার করছে। ভোটে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের মধ্যে অনেকের নাম তুলতে সুপ্রিম কোর্টে যেতে হয়েছে।”

    “মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে দিল্লির জমিদাররা। মনে রাখবেন, এদের গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দিতে হবে।” বিজেপিকে নিশানা করে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এসআইআরের কারণে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের নাম বাদ চলে গিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী চিন্তিত, প্রাণ কাঁদে। সেই বার্তাও এদিন দেওয়া হয়েছে। বাংলায় সর্ব ধর্ম সমন্বয়, সৌহার্দ্যের বার্তা দিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী এদিন লিখেছেন, “আজকের এই শুভ দিনে আসুন আমরা সমবেতভাবে শপথ নিই; সবরকম সংকীর্ণতার দেওয়াল ভেঙে আমরা বেরিয়ে আসব। কোনও বিভেদকামী-স্বৈরাচারী শক্তি যেন আমাদের চিরকালীন শান্তি, ঐতিহ্যগত সম্প্রীতি আর সৌহার্দ্যের বন্ধন ছিন্ন করতে না পারে।”

     
  • Link to this news (প্রতিদিন)