অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং তাঁর স্ত্রী রিণিকি ভুঁইয়া শর্মার সঙ্গে বিবাদের মধ্যে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট থেকে এক সপ্তাহের অন্তর্বর্তী ট্রানজি়ট জামিন পেয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা। উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তেলঙ্গানা হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল অসম সরকার। বুধবার তার প্রেক্ষিতেই জামিনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করথেন, সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পর খেরাকে গ্রেপ্তারের পথ আরও সুগম হলো অসম সরকারের।
ভোটের ঠিক মুখেই হিমন্তের স্ত্রী রিণিকির বিরুদ্ধে তিন দেশের পাসপোর্ট থাকা, দুবাইতে সম্পত্তি ও আমেরিকার কোম্পানিতে মোটা বিনিয়োগ থাকার অভিযোগ তুলেছিলেন পবন। এই সমস্ত অভিযোগ ‘মিথ্যে’ দাবি করে ইতিমধ্যেই খেরার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকেছেন রিণিকি। হিমন্তও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মামলা করার।
প্রসঙ্গত, অসমের মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা করেছেন, পবন যে সব অভিযোগ করেছেন, তার প্রভাব ভোটের ফলাফলে পড়তে পারে। হিমন্তের বক্তব্য, এই সব কিছু নিয়েই নির্দিষ্ট নিয়ম বা আইন থাকা দরকার। তাই নির্বাচন কমিশনকে পক্ষ করে তিনি ফলপ্রকাশের পরে মামলা দায়ের করবেন। হিমন্তর মতে, যদি কোনও জাতীয় রাজনৈতিক দল ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করে, তা হলে সেই দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা উচিত।
রিণিকি মানহানি এবং সাইবার অপরাধের ধারায় মামলা করার পরেই খেরাকে ধরতে তাঁর দিল্লির বাসভবনে হানা দিয়েছিল অসম পুলিশ। সেই সময় খেরা বাড়ি ছিলেন না। অসম এবং দিল্লি পুলিশের যৌথ অভিযানের পরেই তেলঙ্গানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন খেরা।