অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিনিকির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পরই কংগ্রেস নেতা পবন খেরার বিরুদ্ধে পালটা অভিযোগ এনেছিলেন রিনিকি। তেলেঙ্গানা হাই কোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা। সেই মামলায় অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছিলেন পবন। কিন্তু সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম-দ্বারস্থ হয়েছিল অসম সরকার। আর এবার শীর্ষ আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করল। যার পর থেকেই জল্পনা শুরু করেছে, তাহলে কি পবন খেরার গ্রেপ্তারি স্রেফ সময়ের অপেক্ষা?
অসমে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন পবন খেরা। তিনি বলেন, ভারত ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, মিশর এবং অ্যান্টিগা ও বারবুডার পাসপোর্ট রয়েছে হিমন্তপত্নী রিনিকির। মার্কিন মুলুকে বহু সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর। যদিও ভারতীয় আইন অনুযায়ী দুই দেশের পাসপোর্ট থাকাটা অপরাধ। পবন খেরার এই মন্তব্যের পালটা সুর চড়ান অসমের মুখ্যমন্ত্রী। হিমন্ত দাবি করেন, কংগ্রেস অপপ্রচার চালাচ্ছে। ডিজিটাল কারসাজি করে তাঁকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়। পবনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন রিনিকি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কংগ্রেস নেতার বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। পাশাপাশি হিমন্তর এমনও দাবি ছিল, এই ধরনের অভিযোগ ভোটেও প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, পবনের বাসভবনে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু তিনি বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময় অসমের মুখ্যমন্ত্রী তোপ দেগেছিলেন, “ও তো গুয়াহাটি থেকে গতকাল পালিয়েছে। খবর পেলাম ওর দিল্লির বাড়িতে পুলিশি তল্লাশি চলেছে। কিন্তু এখন আবার হায়দরাবাদ পালিয়েছে। তবে আইন চলবে আইনের পথেই।” সেই সঙ্গেই এক্স হ্যান্ডলে তাঁকে লিখতে দেখা যায়, ‘আমি নিশ্চিত যে পবন খেরার মিথ্যাচারের অভিযান শেষের দিকে। সব শেষে জেলে ঠাঁই হবে ওঁর।’ এবার পবন খেরার অন্তর্বর্তী জামিনে স্থগিতাদেশের পর সেই সম্ভাবনাই জোরালো হচ্ছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।