নির্ধারিত সময়ের পরে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ায় অনুষ্ঠান শেষের আগেই ফিরতে হলো স্মৃতি ইরানিকে (Smriti Irani)। দেরিতে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ায় কাটল তাল। বুধবার হুগলির চুঁচুড়ার ঘটনা। এই ঘটনায় আশাহত কর্মীদের একাংশ। যদিও চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগের দাবি, স্মৃতি ইরানির অন্য কর্মসূচি থাকায় ফিরে যেতে হয়। আর তিনি তাঁর নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ছিলেনও। এ দিনের অনুষ্ঠানের আরও একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি সূত্রে খবর, এই অনুষ্ঠানে স্মৃতিকে জেলা অফিসে স্বাগত জানানোর সময়ে ছিলেন না হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
এ দিন হুগলির কাপাসডাঙায় বিজেপির সাংগঠনিক কার্যালয় থেকে হুডখোলা গাড়িতে বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগের সমর্থনে র্যালি বের হয়। তাতে অংশ নেন স্মৃতি ইরানি। চুঁচুড়া তিন নম্বর গেট সংলগ্ন বিজেপি জেলা অফিসের সামনে থেকে এ দিন সকালে ‘শঙ্খনাদ শোভাযাত্রা’ শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ে তা শুরু হওয়ার কথা ছিল, তবে তা কিছুটা পরে শুরু হয়। এ দিকে অন্য অনুষ্ঠান ছিল স্মৃতির। সূত্রের খবর, সে কারণেই পুরো অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
কাপাসডাঙা থেকে র্যালিতে এসে চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে সভা করার কথা ছিল স্মৃতি ইরানির। ঘড়ির মোড়ের মঞ্চ থেকে সেই মতো প্রচারও চলছিল। কিন্তু অন্য কর্মসূচি থাকায় তিনি বেরিয়ে যান। বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ বলেন, ‘আমাদের শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। দিদি সময় মতোই এসেছিলেন। তাঁর অন্য অনুষ্ঠানও ছিল। নিউটাউনের হোটেল থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সূচনা করেন। তাঁর গুরুত্ব সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে। তবু তিনি এসেছেন এটাই আমার বড় প্রাপ্তি। দিদির সাড়ে ১০টা অবধি সময় ছিল। ওই সময়ের মধ্যে মিছিল এসে পৌঁছলে দিদিও থাকতেন। সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তো ছিলেনই। তবে আর আধ ঘণ্টা বেশি তিনি থাকলে শিডিউল অনুষ্ঠানেও দেরি হয়ে যেত।’
অন্যদিকে জেলা সভাপতির অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে সুবীর নাগ বলেন, ‘পয়লা বৈশাখে তাঁর নিজস্ব ব্যবসার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ব্রাহ্মণ মানুষ তিনি। পুজো ছিল। তবে মঞ্চে এসেছিলেন বলেও শুনেছি।’