২০২১-এর ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) পরে যেখানে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল, সেই সব এলাকায় ঘুরে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার বার্তা দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার। বুধবার জামালপুরের নবগ্রামে যান তাঁরা। ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে দু’জন তৃণমূল কর্মী, একজন বিজেপি সমর্থক। আহতও হন বেশ কয়েকজন। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার। কথা বললেন আহতদের সঙ্গেও। কোনও রকম সমস্যা হলে 1950 টোল ফ্রি নম্বরে অভিযোগ জানানোর কথাও বললেন তাঁরা।
বিধানসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মনে যাতে কোনও ভয়, আতঙ্ক কাজ না করে, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। ২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার স্মৃতি এখনও তাজা জামালপুরের নবগ্রাম ও ভেরিলিপুল এলাকার মানুষের। সেই আতঙ্ক কাটিয়ে মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্যই বুধবার সকালে এলাকায় পরিদর্শনে যান জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল এবং পুলিশ সুপার সায়ক দাস।
২০২১ সালের নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে জামালপুরে রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। প্রাণ হারান এক বিজেপি সমর্থক এবং দুই তৃণমূল কর্মী। আহত হন বেশ কয়েকজন। আরও একটা ভোট আসছে। বুক কাঁপছে পরিবারগুলির। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং জামালপুর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে নবগ্রাম ও ভেরিলিপুল এলাকায় যান প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।
জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল বলেন, ‘এসপি আর আমি বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। একটাই বার্তা দিচ্ছি, নির্ভয়ে ভোট দিন। কোথাও কোনও হিংসার ঘটনা ঘটবে না, আশ্বস্ত করা হচ্ছে। কোনও রকম ঝামেলা, অশান্তি বা সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ১৯৫০ নম্বরে ফোন করুন। যিনি ফোন করছেন তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা হবে।’