একটি মাত্র কাউন্টারে ৭০০ জন ভোটকর্মীর ভোট (West Bengal Assembly Election) গ্রহণ করার অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। ভোট দিতে এসে চরম অব্যবস্থার সম্মুখীন হয়ে বিক্ষোভ দেখান ওই ভোটকর্মীরা। বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের নিমতৌড়ির অন্তর্গত কুলবেড়িয়া ভীমদেব আদর্শ বিদ্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে। বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে অনেকেই বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।
বুধবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের নিমতৌড়ির ওই স্কুলে ভোটকর্মীরা ব্যালটে ভোট দিতে আসেন। ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকেই চরম অব্যবস্থার অভিযোগ তোলেন ভোটকর্মীরা। খুব ধীর গতিতে ভোটগ্রহণ চলছে বলে অভিযোগ ওঠে। প্রখর রোদে লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাঁদের। এর ফলে ক্ষোভে অনেকেই ভোটের লাইন থেকে বেরিয়ে আসেন। তারপর জানা যায়, প্রায় ৭০০ জন ভোটকর্মীর ভোটগ্রহণের জন্য একটি মাত্র কাউন্টার রয়েছে। সেই কারণে একজন ভোটারের ভোট দিতে অনেকটা সময় লেগে যাচ্ছে। এর ফলে গরমের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে তাঁদের। ভোটকর্মীদের জন্য কোনও খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভোটকর্মীদের আরও অভিযোগ, উপস্থিত বিডিওকে বিষয়টি জানানো হলেও তিনি কোনও সদুত্তর দেননি। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। যদিও তারপরেও কোনও লাভ হয়নি বলে দাবি ভোটকর্মীদের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। উপস্থিত জওয়ানরা ভোটকর্মীদের লিখিতভাবে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছে।
এক ভোটকর্মী বলেন, “এটি পূর্বপরিকল্পিত। আমরা যাতে ভোট দিতে না পারি সেই কারণে এই প্ল্যান করা হয়েছে।” আর এক ভোটকর্মী জানান, এক এক জনের ভোট দিতে ৮ থেকে ১০ মিনিট করে সময় লাগছে। ৩-৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ভোটকর্মীরা।