ভোটের আগে ম্যারাথন প্রচারে ব্যস্ত তিনি। প্রায় প্রতিদিন এই জেলা থেকে সেই জেলায় দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। দিনে গড়ে ২-৩টি করে জনসভা সারছেন। এছাড়া দিনভর সাংগঠনিক কাজকর্ম তো লেগেই রয়েছে। তারই ফাঁকে নববর্ষের সন্ধ্যায় কালীঘাটে পুজো দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মা, মাটি, মানুষের জন্য প্রার্থনা সারলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’।
বুধবার নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের নানা জায়গায় ভোটপ্রচার কর্মসূচি ছিল অভিষেকের। প্রথমে পৈলানে একটি জনসভা সারেন। এছাড়া চড়িয়াল মোড় থেকে পূজালি পেট্রল পাম্প পর্যন্ত রোড শো করেন। সবশেষে পূজালি পেট্রল পাম্পের কাছে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। কোনওভাবে ‘ভেদাভেদের রাজনীতি করা’ বিজেপিকে জমি ছেড়ে দেওয়া যাবে না বলেই ভোটার ও নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা পৌঁছে দেন অভিষেক। জয়ের বিষয়ে একশো শতাংশ আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা যায় তাঁর গলায়। জনসভা, রোড শো-তে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া উপস্থিতিই যেন ‘প্রত্যয়ী’ অভিষেকের শক্তির আধার।
ভোটপ্রচার সেরে কলকাতায় ফিরে আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করেননি অভিষেক। সোজা কালীঘাট মন্দিরে পৌঁছন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। পুজো দেন।
নিজে হাতে আরতি করেন অভিষেক। হাতজোড় করে দেবীর কাছ থেকে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। মা-মাটি-মানুষের জন্যও শুভকামনা করেন তিনি।
নববর্ষে প্রায় প্রত্যেক বাঙালিই মন্দিরে পুজো দেন। সে কারণে এদিন সকাল থেকে রাজ্যের একাধিক মন্দিরে লম্বা লাইন ছিল পুণ্যার্থীদের। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, নববর্ষের প্রাক্কালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারের কয়েকজনের সঙ্গে তিনি মন্দিরে হাজির হন। এরপর কালী মাকে শাড়ি, মালা দিয়ে, মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পুজো দেন। মা-মাটি-মানুষের শুভকামনা করেন।