উন্নয়ন ও আস্থার উপর ভরসা, কুর্মি ভোটে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল
দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ভোটের আগে কুর্মি সম্প্রদায়কে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন বাড়লেও, তৃণমূল শিবির যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী— জঙ্গলমহলের মানুষ উন্নয়ন ও বাস্তব কাজের উপরই ভরসা রাখবেন। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় কুর্মি ভোটারদের প্রভাব থাকলেও, গত এক দশকে গড়ে ওঠা পরিকাঠামো ও সামাজিক প্রকল্পই ভোটের ফল নির্ধারণ করবে বলে মনে করছে শাসক দল।
শাসক শিবিরের বক্তব্য, ‘কুর্মি সমাজের উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান—সব ক্ষেত্রেই কাজ হয়েছে। কোনও দাবিকে অস্বীকার করা হয়নি, বরং নিয়ম মেনেই এগোনো হচ্ছে।’
তফসিলি জনজাতি মর্যাদার প্রসঙ্গে শাসক দলের দাবি, এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্তরের সঙ্গে যুক্ত এবং প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে সময় লাগে। এক নেতার মত — ‘রাজ্য সরকার কখনও বাধা দেয়নি, বরং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছে’।
এছাড়াও, জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা নির্মাণ, বিদ্যুৎ সংযোগ, পানীয় জল এবং সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের বিস্তারকে নিজেদের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে তৃণমূল। তাদের দাবি, ‘মানুষ আজ বাস্তব পরিবর্তন দেখেছেন। তাই বিভ্রান্তিতে পড়বেন না।’
রাজনৈতিক মহলের মতে, কুর্মি ভোট নিয়ে আলোচনা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতাই বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। ফলে জঙ্গলমহলের নির্বাচনী লড়াইয়ে শাসক শিবির এখনও যথেষ্ট শক্ত অবস্থানে রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।