• তৃণমূল কর্মীকে সজোরে ঘুসি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের, রাজনৈতিক তরজা সবংয়ে
    এই সময় | ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। জেলায় জেলায় ইতিমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতে খতিয়ে দেখা, রুট মার্চ, ভোটারদের আশ্বস্ত করার কাজ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ থামাতেও হাজির হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কয়েকদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ে দুই দলের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে সজোরে ঘুসি মারলেন এক জওয়ান। সেই ঘটনার ভিডিয়ো (যাচাই করেনি এই সময় অনলাইন) ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    সবং বিধানসভা কেন্দ্রের ৬ নম্বর সারতা অঞ্চলের ছিনা এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, গত দু’দিন আগে ওই এলাকায় বিজেপি প্রচার করতে গেলে তাদের তৃণমূল বাধা দিয়েছে এবং মারধর করেছে। সেই সময়ে গন্ডগোল নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। মারামারির একটি ভিডিয়ো মোবাইলে দেখে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করছিলেন এক জওয়ান। সেই সময়ে পাশে দাঁড়িয়ে কিছু বোঝানোর সময়ে এক তৃণমূল কর্মীর মুখে সজোরে ঘুসি মারেন ওই জওয়ান।

    যে তৃণমূল কর্মীকে ঘুসি মারা হয়েছে, তাঁর নাম বিজয় জানা। তিনি ওই গ্রামেরই বাসিন্দা। এই ঘটনার পরে ওই তৃণমূল কর্মী ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। স্থানীয় তৃণমূল নেতা আবু কালাম বক্স বললেন, ‘বিজয় ঘটনার সঙ্গে কোন যুক্ত ছিল না। ও গন্ডগোল থামাতে গিয়েছিল। তাঁকেই মেরেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান।’

    সবং-এর বিজেপি প্রার্থী অমল পন্ডা বলেন, ‘ছিনা গ্রামে প্রচার করতে গিয়েছিলেন মহিলা মোর্চার কর্মীরা। সেখানে তৃণমূল বাধা দেয় এবং মারধর করে। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। ঘটনার ভিডিয়ো ফুটেজ নিয়ে আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান কাকে মেরেছেন সেটা আমি দেখিনি, আমি জানিও না।’

  • Link to this news (এই সময়)