ছোটবেলা থেকেই বাবা অমল ভাদুরিকে দেখেই নিজেকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার শপথ নিয়েছিলেন। কলেজ জীবনে থেকে শুরু হয় জনসংযোগের রাজনীতি। এরপর দেশ ও দশের মঙ্গলের জন্যই যুক্ত হন আরএসএসের একজন কর্মী হিসাবে। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা সম্পূর্ণ করেই পেশায় আইনজীবী হন। কিন্তু রাজনীতির ময়দান থেকে কখনই পিঠ দেখিয়ে আসেননি। তিনি হলেন ইংরেজবাজারের বিজেপি প্রার্থী অম্লান ভাদুড়ি। শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদরঘাট এলাকার বাসিন্দা । বর্তমানে অম্লান ওই ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার। বিধানসভা ভোটে বাজি জিততে পদ্ম শিবিরের আস্থা তাঁর উপরেই। নিয়মিত শরীর চর্চার সঙ্গে যুক্ত তিনি । মধ্যবয়স্ক অম্লানের সুগঠিত শরীর , একগাল দাড়ি সর্বদাই হাসিমুখে কথা বলেন মানুষের সঙ্গে। পেশায় আইনজীবী অম্লান ভাদুড়ীর পরিবারের স্ত্রী পায়েল কর্মকার এবং একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
ইংরেজবাজার পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চার বারের কাউন্সিলর রয়েছেন অম্লান ভাদুড়ি। ২০০৫ সালের বাম জামানায় তখনকার সিপিএম কাউন্সিলার বিনয় দাসকে গো-হারা হারিয়ে জনপ্রতিনিধি হয়ে ময়দানের নামেন অম্লান। এর পরে থেকে আর তাঁকে ঘুরে তাকাতে হয়নি। নিজস্ব কৃতিত্বেই আজকের দিনেও বিজেপির যুবদের একটা আইকন এমনটাও বলা যেতে পারে । তাঁর বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনও দুর্নীতির অভিযোগ কেউ আঙুল তুলে দেখাতে পারেননি। তাই স্বচ্ছতার সার্টিফিকেট বুকে করেই ভোটপ্রার্থী বিজেপি প্রার্থী অম্লান ভাদুড়ী।
একদা আরএসএস করার সুবাদেই দলের রাজ্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে নজরে পড়েছিলেন তিনি। তার নানান কাজকর্মের প্রতি ভূয়সী প্রশংসা করেই এবারে দল তাকে বিজেপি প্রার্থী করেছে। আর সেই অম্লান ভাদুরি এখন নির্বাচনী প্রচারেই মানুষের কাছে তুলে ধরছেন ইংরেজবাজারকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার। বর্তমান শহরের পানীয় জল ও জঞ্জাল সমস্যা নিয়ে তিতিবিরক্ত সাধারণ মানুষ। তাইতো সরকার পরিবর্তন হলেই স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার কথা জনমানসে তুলে ধরছেন বিজেপি প্রার্থী অম্লান ভাদুরি।
নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সেই হলফনামা থেকে জানা গিয়েছে অম্লান ভাদুড়ীর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা। তাঁর স্ত্রী পায়েল কর্মকারের অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য প্রায় ২৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রী'রও ব্যবসা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। অম্লানের নিজস্ব সোনা রয়েছে মোট ১১৮ গ্রাম। তাঁর স্ত্রীর রয়েছে ৬৫ গ্রাম সোনা। অম্লানের নিজস্ব টয়োটা ফরচুনার গাড়ি রয়েছে। যোধপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও রয়েছে অম্লান ভাদুড়ির।