• একের পর এক CPM-TMC-র পতাকা ছিঁড়ছে যুবক, CCTV-তে ধরা পড়তেই উত্তপ্ত ধূপগুড়ি
    আজ তক | ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • West Bengal Election Violence 2026: ডুয়ার্সের বাতাসে এখন ভোটের গন্ধ। কিন্তু সেই গন্ধ ছাপিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ধূপগুড়িতে ছড়াল রাজনৈতিক হিংসার দুর্গন্ধ। পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে রাতের অন্ধকারে তৃণমূল ও বামেদের একগুচ্ছ দলীয় পতাকা ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ঘিরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের মুখে শান্ত ধূপগুড়িতে অশান্তির বীজ বুনছে কে?

    স্থানীয় সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ভোরে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ঘুম থেকে উঠে দেখেন, রাস্তার ধারে টাঙানো ঘাসফুল আর কাস্তে-হাতুড়ি খচিত ঝান্ডাগুলো ছিন্নভিন্ন অবস্থায় মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। খবর চাউর হতেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসে (যার সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রাতের নিস্তব্ধতার সুযোগ নিয়ে এক আততায়ী অতি সক্রিয়তায় একের পর এক পতাকা ছিঁড়ে মাটিতে ফেলছে। নিছক মত্ত অবস্থায় এই কাজ, নাকি এর পিছনে গভীর কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। তা নিয়েই এখন পাড়ার মোড়ে মোড়ে চায়ের কাপে তুফান উঠছে।

    ঘটনার খবর পেয়েই সুর চড়িয়েছে শাসকদল। স্থানীয় তৃণমূল নেতা দেবদুলাল ঘোষের দাবি, “যেকোনো দলের পতাকাই হোক, তা রাজনৈতিক কর্মীদের কাছে সম্মানীয়। আমাদের জয় নিশ্চিত জেনেই বিরোধীরা ভয় পেয়ে এসব নিচুতলার রাজনীতি শুরু করেছে।” পিছিয়ে নেই গেরুয়া শিবিরও। পালটা তোপ দেগে বিজেপি নেতা চন্দন দত্ত বলেন, “জেতার জন্য আমাদের ওসব নোংরা কাজ করতে হয় না। মানুষ এখন শাসকদলের ওপর বীতশ্রদ্ধ। আমরা চাই পুলিশ অবিলম্বে দোষীকে খুঁজে বের করুক।”

    পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ময়দানে নেমেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি বাহিনী। পুলিশ আধিকারিকদের কথায়, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। ভোটের আগে শান্তি বজায় রাখাই এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

     
  • Link to this news (আজ তক)