• মিজোরামে জনগণনায় শরণার্থীরাও
    বর্তমান | ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • বিশেষ সংবাদদাতা, আইজল: মিজোরামে শুরু হল জনগণনার প্রথম পর্যায়। বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রক্রিয়ার সূচনা হল। এই উপলক্ষ্যে বুধবার আইজল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে জনগণনা অধিকর্তা জানান, মিজোরামে আশ্রয় নেওয়া সকল শরণার্থী এবং  বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের (আইডিপি) দেশের সাধারণ জনগণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। জনগণনা চলাকালীন যদি মায়ানমার ও বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীরা, মণিপুরের বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরা ভাড়া বাড়িতে বা ত্রাণ শিবিরে বসবাস করেন, তাহলে তাঁদেরও গণনা করা হবে। এই জনগণনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

    স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মিজোরামে বর্তমানে মায়ানমার থেকে আসা শরণার্থীর সংখ্যা ২৮ হাজারের বেশি। বাংলাদেশ থেকে এপারে এসেছে প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন। পাশাপাশি মণিপুর থেকে আসা প্রায় ৭ হাজার বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরা এরাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। জনগণনা অধিকর্তা জানান, ২০২৭ সালের আদমশুমারি মিজোরামে দুই পর্যায়ে সম্পন্ন হবে। এই প্রথম জনগণনা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে। প্রায় ১৫ বছর পর এই জনগণনা হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম পর্যায়, অর্থাৎ হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস চলবে চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল থেকে ১৫ মে পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনসংখ্যা গণনা সম্পন্ন হবে। উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্ব-গণনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেখানে নাগরিকরা অনলাইন পোর্টালে নিজেদের পরিবারের তথ্য জমা দিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত মিজোরামে মোট ১০,২৯৪টি স্ব-গণনা সম্পন্ন হয়েছে। ছবি: এএফপি
  • Link to this news (বর্তমান)