• দুই দলের গোলমালের দায় কার? জানাতে হবে এসপি, সিপি’কেই, নির্দেশ জারি নির্বাচন কমিশনের
    বর্তমান | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটি জায়গায় কোনো একটি রাজনৈতিক দলের মিছিল বা সভা চললে সেখান থেকে দূরে রাখতে হবে অন্য দলকে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি যেন না-হয়। এই নির্দেশ লঙ্ঘনের ফলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে তার দায় বহন করতে এসপি/সিপিকে। একইসঙ্গে ঘটনার জন্য দায়ী পুলিশ কর্মীকে চিহ্নিত করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে এমনই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন জেলায়।

    কমিশনের নজরে এসেছে, বিভিন্ন জায়গায় একই এলাকা দিয়ে বিবদমান দুটি রাজনৈতিক দলের মিছিল হচ্ছে। তাতে সৃষ্টি হচ্ছে উত্তেজনা। দুই দলই নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে অনেক জায়গাতেই। কমিশন বিভিন্ন ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে জেনেছে, এক জায়গায় একটি রাজনৈতিক দলের মিছিল চলার সময় ওই রুটেই অন্য একটি দলের কর্মী-সমর্থকরা দাঁড়িয়ে থেকে তাঁদের দলের জন্য স্লোগান দিচ্ছেন। তা নিয়েও রীতিমতো উত্তেজনার সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ এমনটা হওয়ার কথা নয়। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে একই রুটে দুটি  দলের মিছিল, মিটিং বা সভা করা যাবে না। সুবিধা অ্যাপে অনুমতি দেওয়ার সময়ই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে পুলিশ কর্তাদের। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এতে রীতিমতো ক্ষুব্ধ কমিশন।

    বৃহস্পতিবার কমিশনের তরফে নির্দেশিকা জারি করে এক্ষেত্রে কী কী করণীয় তা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের স্পষ্ট নির্দেশ, কোনোভাবেই দুটি দলের মিছিল বা সভা একই রুটে এবং একই জায়গায় হতে দেওয়া যাবে না।  এই বিষয়টি থানার আইসি ও ওসিদের জানিয়ে দেবেন এসপি বা কমিশনাররা। তাঁদের দেখার দায়িত্ব থাকবে, যেন কোনোভাবেই একই জায়গায় দুটি দল জমায়েত বা সভা না করে। তারপরেও যদি এই ঘটনা ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হয় সেক্ষেত্রে এসপি বা সিপি নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে জানাবেন, কার কী দায়িত্ব ছিল। যাঁর কারণে এই অবাঞ্ছিত ঘটনা, তাঁকে চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যই এই নির্দেশ। পাশাপাশি, সরু লেনে অবস্থিত পোলিং বুথগুলি সম্পর্কেও তথ্য চেয়েছে কলকাতা পুলিশ। এই ব্যাপারে সমস্ত থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করে জানাবার জন্য, যাতে সেখানে কিউআরটি টিমের চার-পাঁচটি বাইক একসঙ্গে পাঠানো যায়।
  • Link to this news (বর্তমান)