প্রচারে বক্তা আফরিনকে পেতে জেলা থেকে ফোন আলিমুদ্দিনে
বর্তমান | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
সোহম কর, কলকাতা: গত ১৬ মার্চ বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু তাঁর নাম বালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তার দিনকয়েক আগে তিনি মহম্মদ সেলিম, শমীক লাহিড়ীদের সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। এই মুহূর্তে পার্টির অন্দরে নির্বাচনি সভায় বক্তা হিসেবে তরুণ গবেষক প্রার্থী আফরিন বেগমের চাহিদা তুঙ্গে, আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর এমনই। বিভিন্ন জেলা থেকে নেতারা ফোন করে বলছেন, আফরিনের ডেট হবে? যদিও শুধু আফরিন নন, দীপ্সিতা ধর, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, শতরূপ ঘোষ, সৃজন ভট্টাচার্যদেরও চাহিদা যথেষ্ট। বিশেষ করে প্রার্থী-বক্তাদের তারিখ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে আলিমুদ্দিন।
পার্টির নেতাদের কথায়, নির্বাচনি প্রচার যত এগিয়েছে বক্তা আফরিন ততই ক্ষুরধার হয়েছেন। যদিও ছাত্র রাজনীতি করার সময় বিভিন্ন এলাকায় তিনি বক্তব্য রেখেছেন। এমনকি জেলাতেও কাজ করেছেন। কিন্তু ভোট প্রচারে আফরিনের ‘ইমেজ’, কথাবার্তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তার ফলে জেলার পার্টিকর্মীদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। নিজের কেন্দ্র ছাড়া তিনি ইতিমধ্যেই টালিগঞ্জ ও যাদবপুরে প্রচার করেছেন।
আলিমুদ্দিন সূত্রের খবর, আফরিন মালদা-মুর্শিদাবাদে যাবেন। কিন্তু মীনাক্ষী, আফরিন, দীপ্সিতারা যেহেতু প্রার্থী তাই তাঁদের তারিখ ঠিক করতে বেগ পেতে হচ্ছে। প্রচারের নিরিখে কি মীনাক্ষীকে ছাপিয়ে গিয়েছেন আফরিন? তথ্য দিয়ে এই প্রশ্নের আনুষ্ঠানিক উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে ডোমকল, জলঙ্গির মতো এলাকায় তিনি প্রচারে যাবেন বলেই খবর। প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকে আফরিন মোটামুটি প্রতিদিনই প্রচারে থেকেছেন। বৃহস্পতিবার বালিগঞ্জ-গড়িহায়াট চত্বরে মিছিল করেন তিনি।
মীনাক্ষীর সঙ্গে জনপ্রিয়তার তুলনায় আফরিন একেবারেই যেতে রাজি
নন। তিনি বলছেন, ‘ছাত্র রাজনীতি করার সময় আমি বিভিন্ন জেলায় গিয়েছি। পার্টি এবছর প্রার্থী করেছে। তাই এই কাজ করছি। পরে যদি কোথাও প্রচারে যেতে বলে, তবে সেখানে যাব। আসল উদ্দেশ্য তো মানুষের কাছে পৌঁছানো।’