• সবংয়ে প্রচারে এসে মানসের প্রশংসা, পদ্মপ্রার্থীকে তোপ অভিষেকের
    এই সময় | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • এই সময়, খড়্গপুর: দলের প্রাথীর সমর্থনে সবংয়ে প্রচারে এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু উন্নয়নের ফিরিস্তি দিলেন না। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, চতুর্থবারের জন্য ফের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের তেমাথানিতে পল্লিশ্রী রাইস মিলের মাঠে দলীয় প্রার্থী মানস ভুঁইয়ার সমর্থনে জনসভা ছিল অভিষেকের। সভা থেকে ৬ বারের বিধায়ক ও একদা রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়ার প্রশংসা করে অভিষেক বলেন, ‘কাউকে খালি হাতে ফেরান না। নিখরচায় রোগী দেখেন। দুঃস্থ মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করেন।’ মানস জিতলে ফের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাবেন বলেও ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যবধান চল্লিশ হাজারের বেশি করতে হবে। আগামী ৫ বছর সরকারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। কিন্তু লড়াইটা ভালোভাবে করতে হবে।’ এরপরেই সবংয়ের বিজেপি প্রার্থী অমল পান্ডাকে নিয়ে মন্তব্য করেন, ‘বিজেপির প্রার্থী কখনও কংগ্রেস, তৃণমূল আবার কখনও বিজেপি। নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে নেমেছেন। আমি তাঁর নাম নিয়ে বাড়তি ফুটেজ দেব না। যাঁকে বিজেপি নেতা–কর্মীরাই মানছে না, সমর্থন করছে না, তিনি তো লড়ার আগেই দশ গোল খেয়ে গিয়েছেন।’

    সবংয়ে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে অভিষেক জানান, কেলেঘাই–কপালেশ্বরী-বাঘাই নদীর ৫২ কিমি জল নিকাশি ব্যবস্থা হয়েছে। মাদুর হাব হয়েছে। মাদুরকে রাজ্য সরকার জিআই ট্যাগ দিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সরকার, মাদুর তৈরির প্রধান উপাদান সুতো আর রঙের ওপর জিএসটি বসিয়েছে। রুইনানে এসবিএসটিসি বাস টার্মিনাস, বনাইয়ে দমকল কেন্দ্র হয়েছে। দেভোগ এলাকায় ট্রাইবাল কালচারাল সেন্টার এবং আইটিআই তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তেমাথানি থেকে পটাশপুর পর্যন্ত ২৯ কিমি রাস্তা হয়েছে। সবং বিধানসভায় ৩১টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ শুরু হয়েছে। তারপরেই তিনি বলেন, ‘বিজেপি নেতাদের বলব, আপনারা মোদীজীর রিপোর্ট কার্ড নিয়ে আসুন। এক দিকে আমি, মানস ভুঁইয়া থাকব, অন্যদিকে অমিত শাহ থাকবেন।’ ঘাটাল আর খড়্গপুর ২০২১–এ জিতেছিল বিজেপি। ঘাটাল বা খড়্গপুরে গত ৫ বছরে কেন্দ্র সরকার বাড়তি ১০ পয়সার কাজ করেছে? দেখাতে পারবেন না।’

    তবে ৪ মে’র পরে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকবে বলে অভিষেক যে দাবি করেছেন তা নস্যাৎ করে এদিন চন্দ্রকোণায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘৪ তারিখের পরে তৃণমূলের কোনও লোকজন থাকবে না।’

  • Link to this news (এই সময়)