নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: খানাকুলের চিংড়া এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দু’জন বিজেপি কর্মী ও এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বাড়ি চিংড়া এলাকাতেই। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের সঙ্গে আর কারা ছিল তাদের খোঁজ চলছে। অভিযুক্তদের হেপাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বুধবার রাতে চিংড়ার দিকবাঁধ এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষই খানাকুল থানায় মারধরের অভিযোগ দায়ের করে। তৃণমূলের দাবি, দলের কাজে কর্মীরা চব্বিশপুর যাওয়ার সময় বিজেপির উপপ্রধান সত্যজিৎ সর্দার সহ আরও কয়েকজনের নেতৃত্বে মারধর করা হয়। তার জেরে তৃণমূলের দুই কর্মী জখম হন। যদিও বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করে, ওই রাতে চব্বিশপুর থেকে বাইকে ফেরার সময় তৃণমূলের লোকজন মারধর করে। তৃণমূল কর্মীরা বাইক থেকে পড়ে গিয়ে জখম হয়েছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে। পুলিশ দু’পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই রাতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে খানাকুলে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা রয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী পলাশ রায় দলের ব্যানার, পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, বন্দর ফেরিঘাট, বাজার সংলগ্ন একাধিক এলাকায় থাকা আমার ব্যানার রাতের অন্ধকারে ছিঁড়ে দিয়েছে বিজেপির লোকজন। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ জানাব। পাল্টা বিজেপি প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ বলেন, তৃণমূল মিথ্যা অভিযোগ করছে। ওদের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে দু’দিন আগে আমাদেরই ব্যানার ছিঁড়েছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। আমরা সেই ব্যাপারে থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।