• বাঁদরামি করলে সাঁজোয়া গাড়ি সব খেয়ে নেব: অনুব্রত
    আজকাল | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: গরুপাচার মামলায় সাড়ে তিন বছর পরে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে খানিকটা ঝিমিয়েই ছিলেন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূমের দায়িত্ব পেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। এরপরেই ধীরে ধীরে স্বমহিমায় ফিরে আসছেন কেষ্ট। আগে বিরোধীদের গুড়-বাতাসা দেওয়ার নিদান দিতেন। এবার সেনার সাঁজোয়া গাড়ি খেয়ে নেওয়ার হুঙ্কার দিলেন তিনি। 

    শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব চৌধুরীর সমর্থনে প্রচার করেন অনুব্রত। কাশেমনগর ফুটবল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যও রাখেন। প্রচার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি  হয়ে কেষ্ট বলেন, “বাংলা রয়্যাল বেঙ্গল টইগারের জায়গা। বেশি বাঁদরামি করলে সাঁজোয়া গাড়ি সব খেয়ে নেব। আমাকে রয়েল বেঙ্গল টাইগার বলতেই পারেন।” এভাবেই নিজেকে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সঙ্গে তুলনা টেনে কমিশনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা। 

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অনুব্রত বলেন, “এই গাড়ি ভয় দেখানোর জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। বাংলাকে নিন্দা করার জন্য আনা হয়েছে।” সাংবাদিকরা তাঁকে বলেন, “একটা গাড়ির জন্য আপনার মত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারই যথেষ্ট।” পাল্টা অনুব্রত বলেন, “একশবার, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার বেঙ্গলে থাকে, এখান থেকে সবাই নিয়ে যায়।” 

    পশ্চিমবঙ্গে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন দাবি করে আসছে তাদের প্রধান লক্ষ্য এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠভাবে আয়োজন করা। সেই উদ্দেশ্যে কোনও খামতি রাখছে না কমিশন। রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নিয়োগ করা হয়েছে পুলিশ পর্যবেক্ষক। ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ২৯৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষককেও নিয়োগ করা হয়েছে ভোট পরিচালনার জন্য। এর পাশাপাশি, রাজ্যের ৮০ হাজার বুথে থাকছে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। বুথের ভিতরে বেশি লোক ঢুকলে জানান দেবে এআই। সব রকম ব্যবস্থা করছে কমিশন। এর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে জম্মু এবং কাশ্মীর থেকে এসেছে বুলেটপ্রুফ গাড়ি। এই বিশেষ গাড়ি অশান্তি রুখতে, জঙ্গিদমনে কাজে লাগানো হয়। ইতিমধ্যে রাজ্যের নানা প্রান্তে এই গাড়ি টহল দিতে দেখা গিয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের সময় কোনও এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ বা গুলি চললে এই গাড়ি ব্যবহার করা হবে।
  • Link to this news (আজকাল)