• ভোটে দাঁড়ানো ১৮০ জন প্রার্থী ক্লাস এইট পাশ, নিজের নামটুকুও লিখতে পারেন না ১৪ জন
    আজ তক | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • আর মাত্র হাতে কয়েকটা দিন। তারপরই বাংলায় প্রথম দফা ভোট। আগামী ২৩ এপ্রিল ১৭টি জেলার ১৫২টি কেন্দ্রে নির্বাচন হবে। এরপর আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। সেখানে ৭টি জেলার ১৪২ কেন্দ্রে ভোট হবে। দুই দফা মিলিয়ে ৭০টিরও বেশি রাজনৈতিক দলের প্রায় ১ হাজার ৪৭৫ জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন। মাসখানেক ধরে চলছে প্রার্থীদের ঝোড়ো প্রচার। সকলেই মনোনয়ন জমা করেছে কমিশনে। হলফনামায় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির পাশাপাশি জানাতে হয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতার কথাও। আর সেই তথ্য দেখেই চোখ কপালে উঠছে সকলের। নিরক্ষর প্রার্থীর সংখ্যা অবাক করার মতো। নিজের নামটুকুও লিখতে পারেন না, এমন প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে। 

    প্রার্থীরা যে হলফনামা জমা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে, তা বিশ্লেষণ করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস। সেখানেই উঠে এসেছে একের পর এক চমকপ্রদ তথ্য। ভোটারদের অধিকাংশই মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন। তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত এক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট যোগ্যতার মাপকাঠি বেঁধে দেওয়া। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা হয়নি। 

    > প্রথম দফার ১৫২ টি কেন্দ্রে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে ১৪ জন প্রার্থীই নিরক্ষর। নিজেদের নামটুকুও সই করতে পারেন না তাঁরা। > প্রথম দফার প্রার্থীদের মধ্যে ২৯ জন কেবলমাত্র সই করতে পারেন, তবে সার্বিক ভাবে নিরক্ষর। > এবারের নির্বাচনে মাত্র ক্লাস ফাইভ পাশ করেছেন এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৩২ জন। > অষ্টম শ্রেণি পাশ করেছেন, নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন ১৮০ জন প্রার্থী।> ২৪৬ জন প্রার্থী রয়েছে, যাঁরা কেবলমাত্র ক্লাস টেন পাশ। > স্নাতক প্রার্থী রয়েছেন ৩৬১জন।> স্নাতকোত্তর প্রার্থী ২২৫ জন।>  মোট ডক্টরেট করা প্রার্থীর সংখ্যা ২০। 

    বয়সের নিরিখে
    প্রথম দফায়  ২৫-৩০ বছর বয়সী প্রার্থীর সংখ্যা ১০৩। ৩১-৪০ বছর বয়সী প্রার্থীর সংখ্যা ৩৪৭। ৪১-৫০ বছরের মধ্যে রয়েছে ৪৫৩ জন। ৭১-৮০ বছর বয়সীদের মধ্যে রয়েছে ৪৯ জন। ৮১-৮৫ বছর বয়সিদের মধ্যে ২ জন। 

     
  • Link to this news (আজ তক)