• ‘গণতন্ত্রের জয়, ওদের জন্য কালো দিন’, মহিলা সংরক্ষণ বিল ভেস্তে যাওয়ায় বিজেপিকে খোঁচা প্রিয়াঙ্কার
    প্রতিদিন | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • পাশ করানো যায়নি কেন্দ্রের আনা মহিলা সংরক্ষণ বিল। আর তারপরই কেন্দ্রকে খোঁচা দিলেন কংগ্রেসের সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তিনি একে ‘গণতন্ত্রের জয়’ বলে উল্লেখ করেছেন। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে ওয়ানড়ের সাংসদ বলেন, মহিলাদের ব্যবহার করে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায় কেন্দ্র।

    প্রিয়াঙ্কাকে বলতে শোনা যায়, ”গতকাল যা ঘটেছে, তাতে গণতন্ত্রেরই জয় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে ভাঙতে ও গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে সরকারের ষড়যন্ত্র পরাজিত হয়েছে। এটা সংবিধানের জয়, দেশের জয় এবং বিরোধীদের একতার জয়। শাসক দলের নেতাদের মুখে সেটা স্পষ্ট প্রতিফলিত হচ্ছে।”

    পরে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন, ”ওরা যে করে হোক ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। আর সেটা করতে অর্থাৎ ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে মহিলাদের ব্যবহার করার চক্রান্ত করেছে। ওরা ভেবেছিল বিলটা পাশ হয়ে গেলে ওরা জিতে যাবে। আর পাশ না হলে নারীর রক্ষাকর্তা হয়ে উঠতে পারবে বাকি দলগুলিকে মহিলাবিরোধী হিসেবে দাগিয়ে দিয়ে। আমরা জানি, নারীর রক্ষাকর্তা হওয়া সহজ বিষয় নয়।” সেই সঙ্গেই ২০২৩ সালে পাশ হওয়া নারী সংরক্ষণ বিলটিকেই ফিরিয়ে আনার দাবি তিনি জানিয়েছেন কেন্দ্রের কাছে।

    প্রিয়াঙ্কার দাবি, এটা কেন্দ্রের মোদি সরকারের জন্য কালো একটা দিল। কেননা এমন ধাক্কা এই প্রথম ওরা খেল। কংগ্রেস নেত্রী বলেন, ”আজকের দিনে মহিলাদের সমস্যাগুলি বেড়েই চলেছে। লড়াইও বাড়ছে। মহিলারা বোকা নন। তাঁরা সবই দেখছেন। ওই সব জনসংযোগ ও মিডিয়া হাইপ আর কাজ করবে না।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশ হয়েছিল সংসদে। বিলে উল্লেখিত ছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। সেখানে আরও বলা হয়েছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর ওই আসনের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হ মহিলাদের জন্য। কিন্তু এখন কেন্দ্র আর জনগণনার অপেক্ষা করছে না। মোদি সরকার চাইছে, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। সেই পুনর্বিন্যাসের ভিত্তিতেই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষিত করা হবে। তারই বিরোধিতায় একজোট হয় ইন্ডিয়া শিবির।
  • Link to this news (প্রতিদিন)